শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৯, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

গ্রেফতার হওয়া যুবকই কি সেই হৃদয়?

গ্রেফতার হওয়া যুবকই কি সেই হৃদয়?

রাজধানীর উত্তরপূর্ব বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে তাছলিমা বেগম রেনু নামে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন হৃদয় সন্দেহে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর গোলাপ শাহ মাজারের সামনে থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

তবে যুবকটি আসলেই হৃদয় কিনা সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বাড্ডায় গণপিটুনির ঘটনায় অন্যতম হোতা হৃদয় সন্দেহে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। গোলাপশাহ মাজার এলাকা থেকে এক লোক হৃদয় সন্দেহে ওই যুবককে আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান জানান, গুলিস্তান থেকে জনগণের সহায়তায় হৃদয় সন্দেহে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তবে সে বাড্ডার ঘটনায় জড়িত হৃদয় কিনা নিশ্চিত নয়। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে।

শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার এস আই মো. সাগর জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই তরুণকে বাড্ডা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা (বাড্ডা থানা পুলিশ) বিষয়টি দেখছে।

রেনুর প্রধান ঘাতক হৃদয়

উল্লেখ্য, শনিবার সকালে পিটিয়ে হত্যা করা হয় দুই সন্তানের জননী রেনুকে। তিনি তার মেয়েকে ভর্তি করতে ওই স্কুলে গিয়েছিলেন। কিন্তু পদ্মাসেতু নিয়ে ছড়ানো গুজবে বিশ্বাস করে তাকে ছেলে ধরা সন্দেহে আটকায় স্থানীয়রা। প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয় তাকে।

মর্মান্তিক এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। আর এতে নীল টি শার্ট পড়া এক যুবককে হাতে লাঠি নিয়ে ক্রমাগত পেটাতে দেখা যায় রেনুকে। আর তার ছবি এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে। ফেসবুকে ছবি প্রকাশের পর হৃদয় পালিয়ে যায়।

উত্তরবাড্ডায় বাবা হানিফ আলীর সবজির দোকানে কাজ করত হৃদয়। পড়াশোনা করেননি। এলাকায় আগে থেকে বখে যাওয়া যুবক হিসাবে পরিচিত।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares