রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ১১:০২ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

চাকরির বয়স ৩৫: প্রধানমন্ত্রীকে পাল্টা যুক্তি দিলেন আন্দোলনকারীরা

চাকরির বয়স ৩৫: প্রধানমন্ত্রীকে পাল্টা যুক্তি দিলেন আন্দোলনকারীরা

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে যুক্তি দিয়েছেন তা খণ্ডন করে পাল্টা যুক্তি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেল প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানান তারা। এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র কল্যাণ পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক মুজাম্মেল মিয়াজী।

চীন সফর নিয়ে গতকাল সোমবার (৮ জুলাই) গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চাকরির বয়স ৩৫ করার বিপরীতে যুক্তি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে তিনি তিনটি বিসিএস পরীক্ষায় পাশের হারের পরিসংখ্যান তুলে ধরে দাবি করেন, ২৯ বছরের ঊর্ধ্বে পরীক্ষার্থীদের ফল খারাপ হচ্ছে, ৩০-এর পর নিয়োগ পেলে সংসার সন্তান সামলাতে কষ্ট হবে, পেনশনের ঝামেলা বাড়বে।

প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যেরপ্রতিক্রিয়ায় আন্দোলনকারীরা বলেন, প্রথমত ২৯ বছরের ঊর্ধ্বে শিক্ষার্থীদের ফলাফল যদি খারাপ হয়, তাহলে প্রতিযোগিতায় জুনিয়ররাই এগিয়ে থাকবে এবং নতুনরা বেশি সুযোগ পাবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী গত কয়েকদিন আগে সংসদে বলেছেন চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বৃদ্ধি করলে নতুনরা বঞ্চিত হবেন। তাহলে প্রধানমন্ত্রী নিজেই স্ববিরোধী কথা বলছেন এবং অযৌক্তিক মন্তব্য দাঁড় করিয়েছেন।

এতে আরো বলা হয়, বয়স বৃদ্ধিতে রেজাল্ট বড় কোনও বিষয় না। আমরা তো আবেদনের সুযোগ চেয়েছি মাত্র। দ্বিতীয়ত, সংসার সামলানোর সঙ্গে আবেদনের বয়স বৃদ্ধির কোনও সম্পর্ক নেই। ১৯ থেকে শুরু করে যেকোনও বয়সী মেয়ে এবং ২৫ থেকে শুরু করে যেকোনও বয়সী ছেলের বিয়ের বয়স শুরু হয়। তাহলে চাকরি উপযোগী বড় বড় ডিগ্রি অর্জন করলে লাভ কি? মোটামুটি শিক্ষিত হওয়ার মতো শিক্ষাটুকু অর্জন করলেই হয়। বরং বয়সসীমা ৩০ থাকার কারণে সংসার সামলাতে গিয়ে অনেক মেয়ের অর্জিত সনদগুলো নষ্ট হয়ে পড়ে রয়। যদি বয়সসীমা বাড়ানো হয় তাতে মেয়েরা বরং আরও আবেদন করার সুযোগ পেয়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারবে। তৃতীয়ত, পেনশনের সঙ্গে চাকরির আবেদনের বয়সসীমার বাড়ানোর কোনও সম্পর্ক নেই। কারণ জাতির প্রয়োজনে যেকোনও সময় সংবিধান বার বার পরিবর্তন হচ্ছে এবং হবে। আর চাকরি হলে তো পেনশনের কথা আসবে। আমাদের আগে চাকরি দরকার, তারপর পেনশন।সূত্র:বিডি জার্নাল

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares