শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৯, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

জিনের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ-বলাৎকার করতেন মসজিদের ইমাম

জিনের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ-বলাৎকার করতেন মসজিদের ইমাম

রাজধানীর দক্ষিণখানে জিনের ভয় দেখিয়ে একাধিক নারীকে ধর্ষণ ও কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে ইদ্রিস আহাম্মদ (৪২) নামে মসজিদের এক ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। সোমবার দুপুরে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারোয়ার বিন কাশেম জানান, দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে এলাকার মসজিদে ইমামতি ও মাদরাসার শিক্ষকতাকে কাজে লাগিয়ে একাধিক নারীকে ধর্ষণ ও পুরুষকে বলাৎকার করত ইদ্রিস আহম্মেদ। কেউ প্রতিবাদ করলে জিনের ভয় দেখিয়ে তাকে ধমিয়ে রাখতো এই ইমাম। সেইসঙ্গে ধর্ষণ ও বলাৎকারের দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করে ভুক্তভোগীদের জিম্মি করে পরবর্তী সময়েও একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করত সে।

তিনি আরো বলেন,এই ইমাম এলাকায় এতটাই প্রভাবশালী যে, তাকে গ্রেফতার করে আনার সময় স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল। কিন্তু যখন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে তার কুর্কমের প্রমাণসহ তুলে ধরা হয় তখন তারাই অবাক হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ চিৎকার করে কেঁদে বলেছে যে, কার পিছনে এতদিন নামাজ পড়েছিলাম আমরা!

র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক বলেন, মসজিদে নামাজ পড়ানোর পাশাপাশি একটি মাদ্রাসাতেও শিক্ষকতা করত ইমাম ইদ্রিস আহম্মেদ। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি এলাকায় প্রচার করতে থাকেন যে, তার কাছে জিন বন্দি আছে। জিন দিয়ে রোগ সারানো হয়। এমন তথ্য প্রচার হওয়ার পর এলাকার মহিলারা বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য তার কাছে যেতে শুরু করে। আর এ সুযোগে চিকিৎসার জন্য আসা মহিলাদেরকে জিনের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করত এ ইমাম। আর সে ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করাতো অন্য সহযোগীদের দিয়ে। পরে সেই সহযোগীকে দিয়েও ধর্ষণ করাতো ইদ্রিস আহম্মেদ। এতে করে যে ভিডিও করছে সে আর বাহিরে কারও কাছে অভিযোগ করার সাহস পেত না।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares