মঙ্গলবার, ২৩ Jul ২০১৯, ০১:৫৬ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

ধর্ষকের চেহারা বারবার দেখান, যাতে লজ্জা পায়: প্রধানমন্ত্রী

ধর্ষকের চেহারা বারবার দেখান, যাতে লজ্জা পায়: প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের ওপর পাশবিক অত্যাচারের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ব্যাপারে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, ধর্ষকদের চেহারা যেন বারবার দেখানো ও প্রকাশ করা হয়। যাতে এই জঘন্য অপরাধীরা লজ্জা পায়।

বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনি বক্তৃতায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধি ও শিশুদের ওপর পাশবিক অত্যাচারে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। যাতে ভবিষ্যতে এ ধরণের ঘটনা ঘটানোর কেউ সাহস না পায়।

সেইসঙ্গে পুরুষ সমাজকেও ধর্ষকদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীরা কেন একা প্রতিবাদ করবে। এ বিষয়ে পুরুষদেরও সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন।

গ্যাসের দাম নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্যাসের দাম নিয়ে যারা আন্দোলন করছেন তারা প্রকৃত অবস্থা চিন্তা করছেন না, এটা দুঃখজনক।

তিনি বলেন, যথেষ্ঠ আন্দোলন হয়েছে, অনেক প্রতিবাদ হয়েছে। দেশে যে গ্যাস আছে তা দিয়ে চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। ব্যাপক চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নিলাম এলএনজি আমদানি করবো। এর জন্য ৩০ হাজার কোটি অতিরিক্ত টাকার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। পুরো টাকাই ভর্তুকি দিচ্ছি। আমরা এলএনজি আমদানি করছি গ্যাসের চাহিদা মেটাবার জন্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিল্পায়ন হচ্ছে, শিল্পায়নের সঙ্গে সেঙ্গে চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু সেই পরিমাণ গ্যাস আমাদের দেশে নেই। আমরা কূপ খনন করছি। গ্যাসের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। যেটুকু গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে সেটুকু উত্তোলন করা হচ্ছে। সমুদ্রে গ্যাস উত্তলনের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। গ্যাসের দাম নিয়ে যে কথাগুলো আসছে, যে দাম না বাড়িয়েও উন্নয়ন করা যাবে। দাম বাড়ানোর প্রয়োজনটা কেন ছিল।’

তিনি বলেন, এলএনজি আমদানি খুব ব্যয়সাপেক্ষ। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন মূল্যায়ন দেখেছে বর্ধিত ব্যয় নির্বাহের জন্য কমপক্ষে ৭৫ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রয়োজন ছিল। সেখানে আমরা কতটুক দাম বাড়িয়েছি। গ্রাহকদের আর্থিক চাপ বিবেচনা করে কমিশন মাত্র ৩২.৮ শতাংশ দাম বাড়িয়েছে। অর্থাৎ, ভোক্তা পর্যায়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্যহার বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার ৯.৮০ টাকা। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গ্রাহকদের জন্য কোনো দাম বাড়ানো হয়নি। গণপরিবহনের বিষয়টি বিবেচনায় করে সিএনজিখাতে শুধু প্রতি ঘনমিটারে ৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণীর গ্রাহকদের অভিযোগের ভিত্তিতে এখন থেকে মিনিমাম চার্জ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

‘সব শিল্প গ্রাহকদের ইবিসি মিটার দেওয়া হবে। যাতে গ্যাস কে কত ব্যবহার করে সেটা নির্দিষ্ট থাকে। যাতে বিল পরিশোধ সহজ হয়। গ্রাহকদের আর্থিক চাপ যেন বেশি না পড়ে সেজন্য সরকার থেকে প্রতি বছর ৭ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা বা ভর্তুকি দেওয়া হবে। তাছাড়া জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল থেকে ২ হাজার ৪২০ কোটি টাকা দেওয়া হবে। আমদানিতে যে মূল্য পড়ছে তাতে আমরা সেখানে পাইপলাইন তৈরি করছি সংরক্ষণ করতে হচ্ছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ করছি। এরও একটা খরচ আছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যদি খরচটা ধরি তাতে এলএনজি আমদানির খরচ পড়ে ৬১.১২ টাকা। আমরা দাম ধরেছি খুব কম। এর দাম পড়ে প্রতি ঘনমিটের ৬১.১২ টাকা। আমরা নিচ্ছি মাত্র ৯.৮০ টাকা। ৬১.১২ টাকা দাম পড়ে সেখানে ধরা হচ্ছে ৯.৮০ টাকা। অর্থাৎ ৫১. ৩২ টাকা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আমরা যদি গ্যাস দিতে না পারি তাহলে উৎপাদন বন্ধ হবে, রফতানি বন্ধ হবে, কর্মসংস্থান বন্ধ হবে। এজন্য গ্যাস আমদানির খরচ যেটা সেটা আমাদের বিবেচনা করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘জানি না যারা আন্দোলন করছেন তারা কি চায়। ভারতে গ্যাসের দাম কমের কথা বলা হচ্ছে কিন্তু সব খাতেই ভারতে গ্যাসের দাম বাংলাদেশ থেকে বেশি। বিরাট অঙ্কের ভর্তুকি দিয়ে আমরা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করছি।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ঢাকায় এসে গ্যাস বিক্রির কথা বলেছিলেন। গ্যাস নেবে ভারত কিন্তু আমি রাজি হইনি। পরে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কাটার এসে আমাকে আর জিল্লুর রহমানকে এবং খালেদা জিয়া ও মান্নান ভূইয়াকে ডেকে গ্যাস বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু আমি মুচলেকা দেইনি। বলেছিলাম আগে আমাদের চাহিদা পূরণ করে ৫০ বছরের রিজার্ভ রাখার পর চিন্তা করবো। কিন্তু খালেদা জিয়া মুচলেকা দিয়ে এসেছিলেন। নির্বাচনে আমরা বেশি ভোট পেয়েও ক্ষমতায় আসতে পারিনি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares