শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৯, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

বাহাদুর কে দেখতে ভিড় জমছে সুজানগরের আনোয়ারের বাড়ীতে

বাহাদুর কে দেখতে ভিড় জমছে সুজানগরের আনোয়ারের বাড়ীতে

শখ করে গরুর নাম রেখেছিলেন ‘বাহাদুর’। এখন বাড়ির সবাই গরুটিকে এই নামেই ডাকে। এদিকে কোরবানি ঈদের আগ মুহূর্তে বাহাদুর নাম ছড়িয়ে গেছে গ্রাম ছাড়িয়ে সুজানগর উপজেলা, সুজানগরসহ আশেপাশের উপজেলায়।

প্রায় প্রতিদিনই বাহাদুর কে দেখতে সুজানগরের পৌর এলাকার ভবানীপুর (প্রফেসর পাড়া) ক্ষদ্র গরু ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন মোল্লার বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন শত শত মানুষ। কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে এবার বাজারে তোলা হবে বাহাদুর কে।

মালিক আনোয়ার হোসেন মোল্লা এই গরুর দাম চেয়েছেন ১১ লাখ টাকা। সাথে ঘোষণা দিয়েছেন, এই দামে বেচতে পারলে ক্রেতাকে দেওয়া হবে বিশেষ পুরুস্কার। এদিকে ১১ লাখ টাকা দামের বাহাদুর কে দেখতে আসা উৎসুক জনতার ভিড় বাড়ছে প্রতিদিনই। বাহাদুর কে দেখতে আসা মানুষদের চোখে-মুখেও ফুটে উঠছে বিস্ময়।

এমনই একজন পৌর এলাকার রফিকুল ইসলাম তুষার তিনি বলেন, লোকমুখে ১১ লাখ টাকার গরুর কথা শুনে দেখতে এসেছি। এতবড় গরুর জীবনে প্রথম দেখলাম। পাবনা সদর উপজেলার তারাবাড়ীয়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেন বলেন, পাঁচ বছর আগে দুই লাখ টাকার একটা ষাঁড় দেখেছিলাম। ১১ লাখ টাকা গরুর দাম! এমন কথা শুনেই দেখতে এলাম। এমন গরুর আসলেও কখনো দেখিনি।

বাহাদুর কে ১১ লাখ টাকায় বিক্রি করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন দেলোয়ার হোসেন তিনি আরো বলেন, মানুষ দাম দেখবে না, চেহারা দেখে এই গরুর কিনবে। গরুর মালিক আনোয়ার হোসেন মোল্লা জানান, নিজ খামারের প্রায় ২ বছর ৭ মাস আগে ‘ফিজিয়াম’ (অস্ট্রোলিয়া) জাতের এই গরুটা খামারে জন্ম নেয়। শখ করে বড় করে ওর নাম দিয়েছিলাম ‘বাহাদুর’।

গরুটির প্রায় দৈর্ঘ্য ৮ ফুট ও উচ্চতা ৬ ফুট গায়ে প্রায় ২২ মণ মাংস আছে উল্লেখ করে আনোয়ার বলেন, গরুর দাম চাচ্ছি ১১ লাখ টাকা। এই দামে গরু বিক্রি করতে পারলে ক্রেতাকে খুশি হয়ে বিশেষ উপহার দেবো।

তিনি বলেন, প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের কোন পরামর্শ ছাড়াই গরুটা আমি পুষেছি। ছয় কাঠা জমিতে ঘাস লাগানো আছে। সেই ঘাস আর খৈল ও ভুষি খাওয়াইয়ে গরু এত বড় করেছি।

এ ব্যাপারে সুজানগর উপজেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জেন ডাঃ মোঃ আব্দুল লতিফ কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, পৌর শহরের ভবানীপুর এলাকায় একটা বড় গরু আছে শুনেছি। কিন্তু আমি সেই গরু দেখিনি, গরুটি দেখতে যাবো ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করে সহযোগীতা করবো।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares