রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে মাল্টা আওয়ামীলীগ প্রস্তুত-কাউসার ফজলু

মাল্টা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক কাউসার ফজলু (আপেল আমিন)।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে মাল্টা আওয়ামীলীগ প্রস্তুত-কাউসার ফজলু

দেশের সবচেয়ে পুরনো রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। আশির দশকের শুরুতে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগ সম্মেলনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরসূরি শেখ হাসিনাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করে। তিনি দলের দায়িত্ব নিয়েই জেনারেল জিয়ার সামরিক শাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরেই বাংলার মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া শুরু করেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ জাতিকে উপহার দিয়েছেন পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্তি ও স্বাধীনতার সাধ। আর তাঁর কন্যা শেখ হাসিনা মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন থেকে শুরু করে জাতির বুকে চেপে বসা সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে জনমত গঠন এবং মানুষের ভোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

এই কাজ করতে গিয়ে বারবার বুলেট ও গ্রেনেডের মুখে পড়তে হয়েছে জাতির জনকের কন্যাকে। বারবার স্বাধীনতাবিরোধী রাজনৈতিক অপশক্তি তাঁর ওপর বুলেট ও গ্রেনেড হামলা চালিয়ে তাঁকে শেষ করে দিতে চেয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই জনগণের বিপুল ভালোবাসা ও আশীর্বাদে তিনি নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফিরেছেন। ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী সমাবেশে বিশ্বের রাজনীতির ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কিত ঘটনা ঘটে। যুদ্ধক্ষেত্রে যে আর্জেস গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়, সেই গ্রেনেড দিয়ে হামলা চালানো হয় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার ওপর। ইতিহাসের বর্বরোচিত ওই গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ নিহত হয় ২৪ জন। দলীয় নেতারা মানবঢাল রচনা করে রক্ষা করেন তাঁদের নেত্রী শেখ হাসিনাকে। এর আগেও চট্টগ্রামে লালদীঘির ময়দান ও গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শেখ হাসিনার প্রাণনাশের চেষ্টা করা হয়। বারবার হত্যাচেষ্টার মধ্যেই মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নেতৃত্ব দিতে থাকেন শেখ হাসিনা।

স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের পতনের পর বিএনপি ক্ষমতায় আসে। এরপর দীর্ঘ পাঁচ বছর বিএনপি-জামায়াত জোটের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তিনি। ছিয়ানব্বইয়ের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে ক্ষমতায় এলে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। এর পর থেকেই দেশের উন্নয়ন শুরু হয়। পাঁচ বছরে বাংলাদেশের প্রভূত উন্নতি হয়। কিন্তু ২০০১ সালের নির্বাচনে সব ষড়যন্ত্রের কাছে পরাজিত হয় আওয়ামী লীগ। ফলে আবারও বিরোধী দলের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় আওয়ামী লীগ। ওই সময় দেশব্যাপী সংখ্যালঘু ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতনে এক বিভীষিকাময় পরিবেশে নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ান শেখ হাসিনা। শুরু হয় তাঁর আরেক ধরনের সংগ্রাম।

ফখরুদ্দীন আহমদের সরকারের সময় জেলে নিয়ে পুরলেও শেখ হাসিনাকে দমিয়ে রাখা যায়নি। জনগণের চাপে সেনা সমর্থিত সরকার বঙ্গবন্ধুকন্যাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। এরপর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে শক্ত হাতে বাংলাদেশের হাল ধরেন শেখ হাসিনা। কিন্তু শুরুতেই হোঁচট খান তিনি। সংঘটিত হয় নারকীয় বিডিআর হত্যাকাণ্ড। সে অবস্থায় অসীম ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেন তিনি। এরপর বাংলাদেশকে টেনে উন্নয়নের মহাসাগরে নিয়ে যাওয়ার জন্য চলতে থাকে তাঁর প্রাণপণ চেষ্টা। দেশ থেকে দূর হয় মঙ্গা ও লোডশেডিং শব্দ দুটি। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে ঘরে ঘরে চিকিৎসা সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশকে যখন দারিদ্র্য, মঙ্গা আর লোডশেডিংয়ের অভিশাপ থেকে উন্নতির পথে নিয়ে যাওয়া শুরু করেন শেখ হাসিনা তখনই পাকিস্তানি দোসরদের ষড়যন্ত্রে উগ্র ধর্মান্ধগোষ্ঠী সরকার পতনের চেষ্টা শুরু করে। সেটাও রুখে দেয় দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কিন্তু পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যাতে কোনোভাবেই ক্ষমতায় থাকতে না পারে সে জন্য নির্বাচন করে বিএনপিসহ তাদের মিত্ররা। তারা ৫ জানুয়ারির নির্বাচন প্রতিহতের চেষ্টা করে, যদিও সে চেষ্টা তাদের সফল হয়নি। ফলে টানা দ্বিতীয় এবং তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনা। অকুতোভয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বে উন্নয়নের মডেল হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে। ছাত্রজীবনে রাজনীতি করেছেন এবং ইডেন কলেজের ভিপি ছিলেন তিনি। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার কারণেই বাংলাদেশ বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে আসীন হয়েছে।

পটুয়াখালীর কৃতি সন্তান মাল্টা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক কাউসার ফজলু (আপেল আমিন) বাংলা৫২নিউজের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন,নিজস্ব অর্থে পদ্মার ওপর ৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ করার সাহস দেখাচ্ছে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন থেকে সরে যাওয়ার পর বিশাল এ প্রকল্প হাতে নেয়ার ঘটনা অনেক দেশ ও সংস্থার সন্দেহ ও বিস্ময় প্রকাশ করলেও সে স্বপ্ন এখন দৃশ্যমান। এক লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা খরচ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করছে বাংলাদেশ। মেট্রোরেল, এলিভেটেট এক্সপ্রেসহ আরো কিছু বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। দেশের প্রথম ৬ লেনের ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পন্ন হয়েছে।

বর্তমান সরকারের শাসন আমলেই কোনো রকম যুদ্ধ-সংঘাত বা বৈরিতা ছাড়াই দুই প্রতিবেশী ভারত ও মিয়ানমারের বিপক্ষে সমুদ্র বিজয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। বঙ্গোপসাগরে এক লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটারের বেশি টেরিটরিয়াল সমুদ্র, ২০০ নটিক্যাল মাইল এলাকায় একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান এলাকার প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়া স্বাধীনতার পরপর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে স্থল সীমান্ত চুক্তি হয়েছিল সম্প্রতি তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ছিটমহল সমস্যার সমাধান করা বাংলাদেশের বড় অর্জন বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। সর্বশেষ রোহিঙ্গা ইস্যুতেও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসা পেয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘসহ বিশ্বের প্রায় সকল দেশ ও সংস্থা এই ইস্যুতে বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করে পাশে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পেয়েছেন ‘মাদার অফ হিউম্যানিটি’ উপাধি। তলাহীন ঝুড়ির বাংলাদেশ আজ ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার পাশাপাশি খাদ্য, বস্ত্র-চিকিৎসার দায়িত্বও পালন করছে।

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের বিচার কাজে সফলতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। টানা তিন মেয়াদের ক্ষমতায় বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশ ও গোষ্ঠীর চাপ সত্ত্বেও শীর্ষস্থানীয় অপরাধীদের বিচার শেষে রায় কার্যকর করা হয়েছে। এই বিচার করতে পারা স্বাধীন বাংলাদেশকে কলঙ্কমুক্ত করার ক্ষেত্রে বড় সাফল্য। প্রবাসীদের এক কাতারে নিয়ে আসতে চাই।প্রবাসীদের লাশ যেন বিদেশের মাটিতে না পড়ে থাকে সে জন্য আমি প্রবাসীদের জন্য একটি ফান্ড খুলতে চাই।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares