রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: ১৮৮ স্কুলের পাঠদান বন্ধ

সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: ১৮৮ স্কুলের পাঠদান বন্ধ

টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের ৬ উপজেলা বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাট, প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাট-বাজারসহ নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। সুনামগঞ্জ-সাচনাবাজার, সুনামগঞ্জ-বিশ্বম্ভরপুর ও সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে চরম ভোগাস্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ জেলার সুনামগঞ্জ সদর, বিশ্বম্ভরপুর, ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, দোয়ারাবাজার উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, জেলার ৬ উপজেলায় অন্তত লক্ষাধিক পরিবার বন্যা কবলিত হয়েছেন। তবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জানিয়েছেন, জেলার ৫টি উপজেলায় ১৩ হাজার ১০০ পরিবার পানি কবলিত হয়েছে। বন্যা কবলিত হয়েছে, সদর উপজেলায় ২৯৫০ টি পরিবার, তাহিরপুরে ৪১০০ টি, জামালগঞ্জে ১৮০০ টি, বিশ্বম্ভরপুরে ১৪০০ টি ও দোয়ারাবাজারে ২৮৫০টি পরিবার। এসব পরিবারের জন্য ৩০০ মে.টন চাল, ২৫০০ প্যাকেট শুকনো খাবার ও প্রত্যেক উপজেলায় ৫০ হাজার করে টাকা দেয়া হয়েছে। পানি কবলিত প্রতি পরিবারকে ১৫ কেজি করে চাল দেয়া হচ্ছে।

রাস্তাঘাটের ন্যায় জেলার ৬টি উপজেলায় অন্তত কয়েক শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্লাবিত হয়েছে। তবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত ১৮৮ টি বিদ্যালয় প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর পাঠদান স্থগিত করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ৩/৪ দিনের টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের প্রধান নদী সুরমা, কুশিয়ারা, যাদুকাটা, বৌলাই, কংসসহ সবকটি নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টায় সুনামগঞ্জের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৯৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৮৬ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত ও ঢল অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক ভূইয়া।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান জানিয়েছেন, পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিপাতের কারণে ধর্মপাশায় ৫৯টি, তাহিরপুরে ১৯টি, বিশ্বম্ভরপুরে ২৭টি, জামালগঞ্জে ৩০টি, সদরে ২২টি, দোয়ারাবাজারে ১৮ টি ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জের ৩ টি বিদ্যালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এসব বিদ্যালয়ের পাঠদান স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বন্যা পরিস্থিতির দেখা দিয়েছে। অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য প্রতি উপজেলায় নিয়ন্ত্রন কক্ষ খোলা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৬টি উপজেলার জন্য ৫০ হাজার টাকা করে ৩ লক্ষ টাকা, ৩০০ মে. টন চাল এবং ২৫০০ প্যাকেট শুকনো খাবার দেয়া হয়েছে।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares