বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

রানু মণ্ডলকে টেক্কা দিলো সাতক্ষীরার সুপতা মণ্ডল, ভিডিও

রানু মণ্ডলকে টেক্কা দিলো সাতক্ষীরার সুপতা মণ্ডল, ভিডিও

সবাই যখন ভারতের রেলস্টেশনে গান গেয়ে সেলিব্রেটি বনে যাওয়া রানু মণ্ডলের প্রশংসায় ব্যস্ত তখনই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ল বাংলাদেশি খুদে প্রতিভা সুপতা মণ্ডলের গান। শুক্রবার সাতক্ষীরা দর্পণ নামে ফেসবুকে পেজে একটি ভিডিও পোস্ট হয়। যেখানে দেখা গেছে, কোনো এক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে কাগজে লিরিক লিখে নিয়ে দাঁড়িয়ে গান গাইছে ওই কিশোরী।
উপমহাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী লতা মুঙ্গেশকারের কালজয়ী ‘যারে যারে উড়ে যারে পাখি ফুরালো প্রাণের মেলা শেষ হয়ে এলো বেলা আর কেন মিছে তোরে বেঁধে রাখি’ গানটি হৃদয় দিয়ে গাইছে সে। এতটুকুও ভুল নেই সুরে। যেখানে যেভাবে সুর ঢেলে দিতে হবে ঠিক সেভাবেই গাইছে ওই স্কুলছাত্রী।

ভিডিওটি পোস্টের পর ওই শিক্ষার্থীর প্রশংসায় মেতেছে নেট দুনিয়া। হু হু করে ভাইরাল হচ্ছে তার গানটি। গানে মুগ্ধ হয়ে অনেকেই তাকে বাংলাদেশের সঙ্গীতভূবনের এক নতুন আবিস্কার বলে মন্তব্য করেছেন।

ভিডিওর ওই খুদে শিল্পী সুপতা মণ্ডল সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কোদন্ডা গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মীরলাল মৃন্যাল মণ্ডল ও মায়ের নাম সুমনা মণ্ডল।

কোদণ্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী সুতপা। বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে টিফিন পিরিয়ডে শিক্ষকদের নির্দেশেই গানটি গায় সুতপা। আর সে গান রেকর্ড করে রঞ্জন সরকার নামে ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ফেসবুকে আপলোড করেন। এর পরই তা ছড়িয়ে পড়ে নেট দুনিয়ায়।

জানা গেছে, সুতপার বাবা মীরলাল মৃন্যাল মণ্ডল কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের ঘোনা দারুসসুন্নাত সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসার সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক।

মেয়ের এই প্রতিভার বিষয়ে তিনি বলেন, আমার মেয়ের গলায় সুর ঢেলে দিয়েছেন সৃষ্টিকর্তা। ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি বেশ আগ্রহী সুতপা। তখন সবেমাত্র স্কুলে ভর্তি হয়েছে সে। একদিন মাদ্রাসা থেকে বাসায় ফিরে দেখি মোবাইল ফোনে গান শুনে ঠিক সেভাবেই গাইছে সে।

গানে যে তার বেশ দখল রয়েছে তা বুঝতে আর বাকি থাকেনি আমার। গানের গলা ভালো দেখে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় তাকে হারমোনিয়াম কিনে দিই। সেটা দিয়েই গানে হাতেখড়ি হয় সুতপার। পরে স্থানীয় শিক্ষক মান্নান স্যারের কাছে গিয়ে সঙ্গীত শাস্ত্রের স্বরলীপি রাগ শেখে সুতপা।সুতপাকে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিল্পী হিসেবে তৈরি করতে চান মৃন্যাল মণ্ডল।

কোদণ্ডা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তুষার ইমরান বলেন, শিশু শ্রেণি থেকেই ভালো গান করত সুতপা। প্রথম দিকে স্কুলে গান গেয়ে সবাইকে অবাক করে দেয় সে। পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ হওয়ার পর তাকে দিয়েই স্কুলের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গাওয়াতাম আমরা। দিন দিন আরো পরিণত হয়ে উঠছে সুতপার গলা।শুধু বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানেই নয় স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও গান গেয়েছে প্রশংসা কুড়িয়েছে সুতপা।

ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares