বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

২০২০ সালে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার চালু

২০২০ সালে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার চালু

রাজধানীর পূর্বাঞ্চলে নির্মাণাধীন বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারটি আগামী বছর অর্থ্যাৎ ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে চালু হবে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সংসদীয় কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে, প্রকল্পে মোট বাজেট বরাদ্দ এক হাজার ৩০৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এরমধ্যে চীন সরকারের অনুদান ৬৫০ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এছাড়া রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ২০২ কোটি ৮০ লাখ টাকা ও সরকার ৪৭৫ কোটি টাকা দিচ্ছে।

রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এবিষয়ে আলোচনা শেষে প্রকল্পের কাজে তদারকি বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, মোহাম্মদ হাছান ইমাম খাঁন ও সুলতানা নাদিরা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী তোফাফেল আহমদ সাংবাদিকদের জানান, কমিটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া জাতীয় রপ্তানি হাউস নামক আরেকটি প্রকল্পের ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) করার জন্য পরামর্শক ফার্ম নিয়োগ করা হয়েছে। উক্ত প্রকল্পের ব্যয় রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো নিজস্ব তহবিল থেকে দেওয়া হবে বলে পরিচালনার পর্ষদে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এছাড়া বৈঠকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবির) কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করতে মন্ত্রণালয়ের সাথে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

বৈঠকে জানানো হয়, প্রতিদিন ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন বাজার সরেজমিনে পরিদর্শন করে কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের স্থানীয় খুচরা ও পাইকারী বাজার সংগ্রহপূর্বক খুচরা বাজার দর টিসিবি’র ওয়েবসাইটের প্রকাশ করা হয়।

নির্দেশনা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা দপ্তর বা সংস্থার নিকট খুচরা বাজার দর পাঠানো হয়। এছাড়া দৈনিক পাইকারী বাজার দর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

আন্তর্জাতিক বাজার দর বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করে বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজনে সরকারকে অবহিত করা হয়।

কমিটি সূত্র জানয়, বৈঠকে আলোচনা শেষে রেজিস্টার্ড জয়েন্ট স্টক কোম্পানি কর্তৃক কোম্পানি ট্রেড অর্গানাইজেশন, পার্টনারশীপ ফার্মের নিবন্ধন প্রদান, ছাড়পত্র প্রদান প্রভৃতি ক্ষেত্রে বাস্তবতার নিরিখে কাজ করতে সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া চলতি বছর আয়োজিত ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা আয়োজনে ৩২ কোটি ৯০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৮টাকা ব্যয় হয়েছে বলে বৈঠকে উলে¬খ করা হয়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares