বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

কাতারে স্থায়ী আবাসনের অনুমতি পেলেন চাঁদপুরের জালাল আহমেদ

কাতারে স্থায়ী আবাসনের অনুমতি পেলেন চাঁদপুরের জালাল আহমেদ

চাঁদপুরের কৃতী সন্তান জালাল আহমেদকে (স্থায়ী রেসিডেন্সি পারমিট) স্থায়ী আবাসনের অনুমতি দিয়েছে কাতার সরকার।

স্থায়ী আবাসনের সুবিধাগুলো হল, এ জাতীয় অনুমতিধারীরা তার অনুমতি স্থগিত বা বাতিল না করে ছয় মাসের বেশি সময় কাতারের বাইরে থাকতে পারেন। অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারকে বিনামূল্যে সরকারি ও সরকারি অনুদানযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা-শিক্ষা প্রদান করা হবে। স্বামী বা স্ত্রী এবং ১৮ বছরের কম বয়সী বা ২৫ বছরের কম বয়সী সন্তানরা যদি অধ্যয়নরত হয়, তবে তারা স্থায়ী আবাসন হতে পারে। সবচেয়ে আগ্রহের বিষয়, স্থায়ী আবাসনের মালিকরা স্থানীয় কাতারি যৌথ উদ্যোগের অংশীদার ছাড়াই বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতে ব্যবসা নিবন্ধন করতে সক্ষম হবেন। তদুপরি, কাতারি কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে এই জাতীয় ব্যক্তিরা রিয়েল এস্টেট এবং অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে সক্ষম হবে যা কেবল কাতারি নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলা পৌর এলাকার মিয়াজি বাড়ির সিআইপি জালাল আহমেদ কাতারে গোল্ডেন মার্বেল ইন্ডাস্ট্রির প্রধান নির্বাহী এবং কাতার সাংবাদিক ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা।

গত ২৩ বছর ধরে কাতারে ব্যবসায়ী হিসেবে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে যাচ্ছেন জালাল আহমেদ। সেখানে তিনি চারটি মার্বেল পাথরের কারখানা স্থাপন করেছেন। যেখানে প্রায় সহস্রাধিক বাংলাদেশি কর্মরত। এছাড়া বাংলাদেশে মোংলায় তার একটি মার্বেল ফ্যাক্টরি রয়েছে। তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকার হাজী আব্দুর রশিদ মিয়াজির বড় ছেলে। তিনি ব্যবসায়ী হিসেবে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সিআইপি হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছেন।

জালাল আহমেদ সর্বদা সাদামাটা জীবনযাপন করেন। এলাকায় নিজস্ব অর্থে এতিম খানা ও মাদরাসা তৈরি করেছেন। সমাজের অসহায় ও দরিদ্র লোকজনের পাশে দাঁড়াচ্ছেন নিয়মিত। এছাড়া দরিদ্র মানুষকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা করছেন।

তারা সাত ভাই দুই বোন। এর মধ্যে এক বোন মাজেদা বেগম বর্তমানে ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। তিন মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে জালাল আহমেদ সস্ত্রীক কাতারেই বসবাস করছেন। জাগোনিউজ২৪.কম

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares