বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ১০:৪৫ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

জেলা হত্যা দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্য মহিলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নোমান আহমদ: যুক্তরাজ্য প্রতি নিধি

জেলা হত্যা দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্য মহিলা আওয়ামীলীগের  উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

যুক্তরাজ্য মহিলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনজুমান আরা অনজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুসলিমা শামস বনির সঞ্চালনায় ৩রা নভেম্বর জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভাও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দেওয়ান গৌছ সুলতান, প্রধান বক্তা আহাদ চৌধুরী,আফসর খাঁন। আরো বক্তব্য রাখেন,নাসিমা রহিম,রাহেলা শেখ,রুজি আলম,আঁখি চৌধুরী,রাজিয়া রহমান,পলিনা হুসেন,নাজু চৌধুরী,ফাতিমা হক,শিমু হুসেন,সখি খাতুন,সায়মা বেগম,রিনা বেগম,বিনা বেগম,রহিমা খাতুন,কুমু আলী,আনোয়ার খান প্রমুখ। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস! বাঙ্গালী জাতির ইতিহাসে এক ভয়াল এবং বিভৎস রাত!! বাঙালি জাতির ইতিহাসে আরেক কলঙ্কিত দিন রক্তক্ষরা জেলহত্যা দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের যে কয়টি দিন চিরকাল কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে, তার একটি ৩ নভেম্বর।

যে কয়েকটি ঘটনা বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত অর্জনের পথে বাধা তৈরি করেছে, তার মধ্যে অন্যতমটি ঘটেছিল ১৯৭৫ সালের এই দিনে। বাঙালী জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করতে ১৯৭৫ সালের ৩ নবেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ জাতির চার মহান সন্তান, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম পরিচালক, মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ ঘনিষ্ঠ সহচর, জাতীয় চার নেতা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। কারাগারের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা অবস্থায় এমন জঘন্য, নৃশংস ও বর্বরোচিত হত্যাকান্ড পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। এর আগে একই বছরের ১৫ আগস্ট হত্যা করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তাঁর ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেফতার করে কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তী অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্যু-পাল্টা ক্যুর রক্তাক্ত অধ্যায়ে মানবতার শত্রু ও বঙ্গবন্ধুর হন্তারক ওই একই পরাজিত শক্তির দোসর বিপথগামী কিছু সেনাসদস্য কারাগারে ঢুকে চার নেতাকে হত্যা করে। সেই থেকে প্রতিবছরের মতো এ দিনটি জেলহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।বক্তারা আরো বলেন বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৫ আগস্ট ট্রাজেডির পর বেদনাবিধুর দিনটি হলো ৩ নবেম্বর।

ঐদিন জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হলেও তাঁদের আদর্শকে হত্যা করা যায় নি। চার নেতা ছিলেন আদর্শবাদী দেশপ্রেমিকের প্রতিচ্ছবি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের প্রতি দৃঢ় আস্থা ছিল তাঁদের আমৃত্যু। বাঙালী জাতির আদর্শের বাতিঘর এই চার নেতাকে হত্যা করে ১৫ আগস্টের পর আবারও বাঙালী জাতির ইতিহাসকে কলঙ্কিত করা হয়েছিল। ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাযজ্ঞের দন্ডপ্রাপ্ত কয়েকজন খুনীর ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় কিছুটা হলেও জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। ৩ নবেম্বর হত্যাকান্ডের ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামিসহ অধিকাংশ দন্ডপ্রাপ্ত আসামি এখনও পলাতক, সুপ্রীমকোর্টের রায় এখনও কার্যকর হয়নি। বাঙালী জাতির ইতিহাসকে পুরোপুরি কলঙ্কমুক্ত করতে হলে ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডের ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসমিসহ ৩ নবেম্বরের হত্যাকান্ডের দন্ডপ্রাপ্ত সকল পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায় কার্যকর করার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ জানান এবারের জেলহত্যা দিবসে এটাই জাতির প্রত্যাশা।পরে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares