শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসছে চমক

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসছে চমক

আসন্ন আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে যুগোপযোগী নতুন নেতৃত্ব খুঁজছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে গঠন করা হবে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সহযোগী সংগঠন ও ঢাকা মহানগরের মতো চমক থাকবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নির্বাচনে।

তবে কাউন্সিলে এবার বাদ পড়তে পারেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রায় অর্ধেক নেতা। এদের মধ্যে কেউ কেউ বয়সের কারণ, বিতর্কিত হওয়া ও নানা কারণে বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এখন নতুন মুখের নেতৃত্ব সন্ধান করছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। দলের একাধিক নেতা জানান, এবার ত্যাগী ও চ্যালেঞ্জিং নেতৃত্ব খুঁজছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলের দীর্ঘদিনের ত্যাগী, পরীক্ষিত নেতাদের স্থান দেবেন কেন্দ্রীয় কমিটিতে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে যারা রাজনীতি করছেন এমন পরিবার থেকে নেতৃত্ব আসবে দলে।

আবার সমাজের আলোকিত মুখও দেখা যাবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে। এ ছাড়া একাদশ সংসদে দলের জন্য সংরক্ষিত আসনে যারা সংসদ সদস্য আছেন, তাদের মধ্য থেকেও কেউ কেউ কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ পেতে পারেন। দলে নতুন নারী নেতৃত্ব সৃষ্টি, তৃণমূল থেকে যোগ্যদের কেন্দ্রে আনা, নতুনদের জায়গা করে দেয়া ও নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে এমন সিদ্ধান্ত নেয় আওয়ামী লীগ।

তথ্যমতে, আগামী ২০২০ সালের মধ্যে যে কোনো কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে দেশের সব দলের প্রতি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বাধ্যবাধকতা আছে। ২০২০ সালের মধ্যে সব পর্যায়ের কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হবে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ৯০-এর খ-এর খ (২) অনুচ্ছেদে যে কোনো রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিসহ সব পর্যায়ের কমিটিতে অন্তত ৩৩ শতাংশ পদ নারী সদস্যদের জন্য সংরক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা এবং সেই লক্ষ্য ২০২০ সালের মধ্যে অর্জনের কথা উল্লেখ আছে।

আগামী বছরের মধ্যে এ লক্ষ্যে পৌঁছাতে চায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। ২০-২১ ডিসেম্বর রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলন ঘিরে দলটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এখন তুঙ্গে।

বরাবরের মতো কে হচ্ছেন দলের পরবর্তী সাধারণ সম্পাদক, দলে ও দলের বাইরে এ নিয়েই চলছে মূল আলোচনা। তবে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ ছাড়া বাকি পদ সাজানো হবে ত্যাগী, জেলা কোটা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে রাজনীতি করা পরিবারের সন্তান এবং দেশের আলোকিত মানুষকে দিয়ে।

এবার যেসব নতুন নেতা আসতে পারেন তাদের মধ্যে জোর আলোচনায় আছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সাংসদ মাশরাফি বিন মর্তুজা, কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য, বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের কন্যা ও প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ছোট বোন ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি, শহীদ ডা. এএফএম আবদুল আলীম চৌধুরীর মেয়ে ডা. নুজহাত চৌধুরী শম্পা, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, মনোনয়নবঞ্চিত ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক দফতর সম্পাদক আ খ ম জাহাঙ্গীর, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতা, বর্তমান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য শফী আহমেদ, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্না, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের ছেলে ও বিসিবির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

অন্যদিকে দলে আবার ফিরতে পারেন সাবেক সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা-৭ আসনের মনোনয়ন বঞ্চিত ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন।

সাবেক ছাত্র নেতাদের মধ্যে শাহাবুদ্দিন ফরাজী, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন, ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির দুবারের সহসম্পাদক অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী একেএম আব্দুল মোমেন।

বর্তমান কমিটির থেকে সিলেট বিভাগের কেউ কেউ উপদেষ্টা পদে থাকতে পারেন। সেই পদগুলোতে আবার নতুন কেউ কেউ আসতে পারেন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সিআরআই সদস্য মিলন পাঠান, সাবেক তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ তিনি উপদেষ্টা হিসেবে নতুন কমিটিতে স্থান পেতে পারেন।

নারায়ণগঞ্জ থেকে সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয় আব্দুল খালেক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদের ছেলে আজিজুস সামাদ ডন, সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী ও সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি রুবিনা আক্তার মিরা, সাবেক সাংসদ ফজিলাতুন নেছা বাপ্পি, সাবেক সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা খানম, বরিশালের প্রযাত মেয়র শওকত হোসেন হিরনের স্ত্রী জেবুন্নেছা হিরন, জামালপুরের সংরক্ষিত নারী এমপি ও মেজর জেনারেল খালেদের মেয়ে মাহজাবিন খালেদ, শহীদ আলতাফ মাহমুদের মেয়ে শাওন মাহমুদ।

পেশাজীবীদের মধ্যে শিক্ষাবিদ ড. সেলিম মাহমুদ। তিনি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার তৈরি কাজের সাথে জড়িত ছিলেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এপিএস সাইফুজ্জামান শিখর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সদ্যবিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক প্রটোকল অফিসার আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম আগামী কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে পারেন।

এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদ্যবিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ।

এ ছাড়া জেলা কোটায় চট্টগ্রামের প্রবীণ নেতা আব্দুছ ছালাম, কুমিল্লা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। তিনি জেলা কোঠায় কুমিল্লায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য পদেও আসতে পারেন।

কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা আফজল খান কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পদেও আসতে পারেন। তিনি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কোনো পদে না এলে তার মেয়ে সংরক্ষিত
এমপি আঞ্জুম সুলতানা সীমা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য পদ পেতে পারেন।

পলাশ ডাঙ্গা যুব শিবিরের সহ-অধিনায়ক ও সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সাংসদ বীরমুক্তিযোদ্ধা গাজী ম ম আমজাদ হোসেন মিলন। দেশ স্বাধীনের পর তিনি তাড়াশ-রায়গঞ্জ, গুরুদাসপুর, সিংড়াসহ চলনবিল এলাকায় আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করেন।

সিলেটের প্রবীণ নেতা ও বর্তমান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ। জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, সুনামগঞ্জের সাবেক ছাত্র নেতা মতিউর রহমান পীর, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিলের পিতা ও ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা অ্যাডভোকেট মো. জহিরুল হক খোকা, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রাজু, তিনি এরশাদের আসনে উপনির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন।

জোটের কারণে তিনি প্রত্যাহার করে নেন। কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রবীণ নেতা জাফর আলী, নওগাঁর প্রবীণ নেতা সাবেক পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী ইমাজউদ্দীন প্রামাণিক, নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রবীণ নেতা অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস, নীলফামারীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন, সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ভূমিমন্ত্রী সামশুর রহমান শরীফ ডিলুসহ অনেকেই আসতে পারেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে।মানবকণ্ঠ

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

shares