নিজস্ব প্রতিবেদক :

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা গুয়াগাছিয়া ইউনিয়ন গুয়াগাছিয়া গ্রামে  চলিতি বছরের ১১ মার্চ  রাতে কিশোর জান্নাতকে হত্যা করেছিল । একই গ্রামের মোস্তফা ব্যাপারীর ছেলে জিসান প্রেম সম্পর্ককে কেন্দ্র করে । হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল মোস্তফা বেপারি, মোস্তফা বেপারীর স্ত্রী সালেহা বেগম  ও হোসেন মিয়ার ছেলে মামুন এই অভিযোগ পাওয়া যায়। হত্যা মামলায় ৪  আসামীর মধ্যে মোস্তফা বেপারি ও তার ছেলে জিসান এখনো পলাতক রয়েছে । জমিন প্রাপ্ত দুই আসামির মধ্যে  সালেহা বেগম ও হোসেন মিঞার ছেলে মামুন । বাদী পরিবারের স্বজন নিহত জান্নাতের দাদা  জানান  আসামি মামুন জামিনে এসেছে।

গত সোমবার  ১২ সেপ্টেম্বর সকালে আমার নাতি মোঃ সানি কে মামুনের বাড়ির সম্মুখে অতর্কিত হামলা চেষ্টা করে। সানিকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে । আমি নিহত জান্নাতের দাদাকেও রাতের আঁধারে পুড়িয়ে ফেলার হুমকি দিয়েছে । মামুনের হামলার শিকার মোঃ সানি জানান সোমবার সকালে মিশুক নিয়ে আসার সময় মামুন আমাকে হামলা চেষ্টা চালায় । মামুন আমাকে এবং আমার দাদাকে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে । একই গ্রামের শফিক মুন্সী ও জুবায়ের সহ একাধিক ব্যক্তিবর্গ  ঘটনাটি  শুনেছেন বলে সংবাদ কর্মীদের অবগত করেন। একই গ্রামের একাধিক নারী পুরুষ জানান বাদী পরিবার ও আসামি মামুন দুই পরিবারের মধ্যে যেকোনো সময় ঘটতে পারে অপ্রীতিকর ঘটনা । আসামি মামুন বংশগত প্রভাবহীন হলেও স্বভাবে বখাটে ছেলে ।ইউপি সদস্য মোঃ নাসির উদ্দিন জানান ঘটনাটি আমাকে মোবাইলে জানানো হয়েছে। । আসামি মামুন নিহতের স্বজন মোঃ জানি(১৮) কে   সোমবার সকালে আসামি মামুনের বাড়ির সম্মুখে অকথ্য গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেছে। আসামি মামুনের  মা এবং মামুনের বাড়ি সংলগ্ন হোসেন বেপারী জানান মামুন বাড়িতে এসে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে  ।আমরা অবগত নেই। মামুনকে খুঁজে বাড়িতে পাওয়া যায় নাই ।

গজারিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোল্লা সোহেব আলী জানান বিষয়টি সংবাদ কর্মীদের মাধ্যমে অবগত হয়েছি। ওই এলাকায় পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি করা হবে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

x