ঢাকা , শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিশ্বকাপ জিতে গেল ভারত! ১২ তারিখেই নির্বাচন হবে: ইনকিলাব মঞ্চ ইনকিলাব মঞ্চকে ছত্রভঙ্গ করে শাহবাগে পুলিশের অবস্থান রাণীশংকৈলে সাড়ম্বরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত। সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের রাজফুলবাড়িয়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে হেমায়েতপুর আর্মি ক্যাম্প কাতার প্রবাসীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সৌন্দর্য ও রূপচর্চায় সচেতনদের জন্য কাতারে যাত্রা শুরু করেছে নিউ আনন্দ চার ভাই সেলুন জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামানের ইন্তেকাল বিসিবিতে জমা পড়ল জাহানারার যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রতিবেদন আমি নির্বাচিত হলে দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে দাঁড়াবো”- রাণীশংকৈলে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় সভায় জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মিজানুর রহমান।

চট্টগ্রামে সওজের বিল কেলেঙ্কারির প্রমাণ পেয়েছে দুদক

সাংবাদিক

চট্টগ্রামে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কাজ না পাওয়া ঠিকাদারকে দিয়ে বিল দাখিল করানোর চেষ্টার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর রহমতগঞ্জে সওজের জেলা কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদকের একটি দল। দুদকের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলমের নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান শুরু হয়। এ সময় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহেদ হোসাইনের কার্যালয়ে বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করেন দুদক কর্মকর্তারা। তবে নির্বাহী প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কিংবা ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা তখন কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সায়েদ আলম বলেন, নগরীর অক্সিজেন মোড় থেকে হাটহাজারি পর্যন্ত এক কোটি টাকার কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ার আগেই একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দিয়ে করানো হয়েছিল। পরে টেন্ডারে অন্য ঠিকাদার কাজ পেলেও তাদের দিয়ে কাজ করানো হয়নি। যে প্রতিষ্ঠানকে টেন্ডারে কাজ দেওয়া হয়েছে, তাদের জোর করে বিল সই করাতে চাপ দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি রাজি না হওয়ায় গত বুধবার রাতে অজ্ঞাত নম্বর থেকে তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো জানান, যে প্রতিষ্ঠান বিলে সই করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, তাদের সঙ্গে দুদক যোগাযোগ করেছে এবং আরো কিছু কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ মে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফর উপলক্ষ্যে অক্সিজেন থেকে হাটহাজারি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কে সৌন্দর্যবর্ধন ও সংস্কারকাজ করা হয়। ঐ কাজের বিপরীতে বিল আদায়ের প্রক্রিয়া নিয়েই অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

তবে অভিযোগ বিষয়ে সওজের কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি। কর্মকর্তারা জানান, নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী অন্য একটি কাজের পরিদর্শনে বাইরে ছিলেন।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:৩৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
৬৩১ Time View

চট্টগ্রামে সওজের বিল কেলেঙ্কারির প্রমাণ পেয়েছে দুদক

আপডেটের সময় : ০৫:৩৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রামে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কাজ না পাওয়া ঠিকাদারকে দিয়ে বিল দাখিল করানোর চেষ্টার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর রহমতগঞ্জে সওজের জেলা কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদকের একটি দল। দুদকের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলমের নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান শুরু হয়। এ সময় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহেদ হোসাইনের কার্যালয়ে বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করেন দুদক কর্মকর্তারা। তবে নির্বাহী প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কিংবা ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা তখন কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সায়েদ আলম বলেন, নগরীর অক্সিজেন মোড় থেকে হাটহাজারি পর্যন্ত এক কোটি টাকার কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ার আগেই একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দিয়ে করানো হয়েছিল। পরে টেন্ডারে অন্য ঠিকাদার কাজ পেলেও তাদের দিয়ে কাজ করানো হয়নি। যে প্রতিষ্ঠানকে টেন্ডারে কাজ দেওয়া হয়েছে, তাদের জোর করে বিল সই করাতে চাপ দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি রাজি না হওয়ায় গত বুধবার রাতে অজ্ঞাত নম্বর থেকে তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো জানান, যে প্রতিষ্ঠান বিলে সই করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, তাদের সঙ্গে দুদক যোগাযোগ করেছে এবং আরো কিছু কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ মে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফর উপলক্ষ্যে অক্সিজেন থেকে হাটহাজারি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কে সৌন্দর্যবর্ধন ও সংস্কারকাজ করা হয়। ঐ কাজের বিপরীতে বিল আদায়ের প্রক্রিয়া নিয়েই অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

তবে অভিযোগ বিষয়ে সওজের কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি। কর্মকর্তারা জানান, নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী অন্য একটি কাজের পরিদর্শনে বাইরে ছিলেন।