তিতাসে দাদির আছাড়ে ২২ মাসের শিশু নি’হত, অভিযুক্তকে ‘পাগল’ সাজিয়ে রফাদফা চেষ্টার অভিযোগ
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় দাদির নি’র্মম আঘা’তে দুই বছরের এক শি’শু নি’হত হয়েছে।
এ ঘটনায় অভি’যুক্ত দা’দিকে মানসিক ভার’সাম্য’হীন বা ‘পা’গল’ দাবি করে বাঁচা’নোর পাশা’পাশি রফা’দফার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি প্রভা’বশালী চ’ক্র” এমনটাই অভি’যোগ উঠেছে।
তাছাড়া এ ঘটনায় এ পর্যন্ত কাউকে মাম’লা করতে দেয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে চক্র’টির বিরু’দ্ধে।
ঘট’নাটি ঘটে’ছে ৭জানুয়ারি বুধবার উপজেলা জগতপুর ইউনিয়নের দ্বিতীয় দশানি পাড়া ফজলু মিয়ার বাড়িতে।
নিহ’ত শি’শু হালি’মা আক্তার ওই গ্রামের ফজলু মিয়ার প্রবাসী ছেলে নজরুল ইসলামের ক’ন্যা।
নিহ’তের মা জানান, ঘটনার দিন দুপুরে হালিমা দাদির পিছু পিছু আগলা ঘরে প্রবেশ করলে হঠা’ৎ করেই দাদি শিশু’টিকে মা’থার ও’পর তু’লে আ’ছাড় মে’রে গুরু’তর আ’হত ক’রেন। তিনি বাধা দিতে গেলে অভিযুক্ত দাদি আরও আ’ঘাত ক’রতে উদ্যত হন। এ সময় মেয়েকে বাঁ’চাতে গেলে দা’দি হ’কি দিয়ে তাঁ’র মা’থায় আ’ঘাত করলে তিনি রক্তা’ক্ত ও আ’হত হ’ন। এরপর অভি’যুক্ত দাদি কাপ’ড়চো’পড় নিয়ে বাড়ি থেকে পা’লিয়ে যান।
গুরু’তর আ’হত অবস্থায় হালিমাকে প্রথমে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি হাসপাতালে স্থানা’ন্তর করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শি’শু:টিকে মৃ’ত ঘো’ষণা ক’রেন।
এদিকে ঘটনার পর একটি চ’ক্র অভি’যুক্ত দা’দিকে ‘মান’সিক ভার’সাম্য’হীন’ দাবি করে পুলিশকে ম্যা’নেজ করা’র মাধ্য’মে লা’শ দাফ’নের অপ’চেষ্টা চালায়। তবে তিতাস থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফ হোসেন স্পষ্ট’ভাবে জানিয়ে দেন—আইনগত প্রক্রিয়া ব্যতীত কোনো’ভাবেই লা’শ দা’ফন করা যা’বে না। অন্যথায় সংশ্লিষ্টদের বিরু’দ্ধে মাম’লা করা হবে। এতে ওই চ’ক্রটি পিছু হটতে বা’ধ্য হয়। পরে পুলিশ লা’শ উদ্ধা’র করে ময়না’তদ’ন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল ক’লেজ হাসপাতাল ম’র্গে পা’ঠায়।
অভি’যুক্ত’কে ‘পাগল’ প্রমাণে সংশ্লিষ্টরা কোনো ধরনের বৈধ কাগ’জ’পত্র বা গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পা’রেনি।
এ ঘটনায় এলাকায় শো’ক ও ক্ষো’ভের ছা’য়া নে’মে এসেছে। দোষী’দের দৃষ্টা’ন্তমূ’লক শা’স্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।






















