ঢাকা , রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দোহারে সন্ত্রাসীদের গুলিতে বিএনপি নেতা নিহত

সাংবাদিক

ঢাকার দোহার উপজেলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বিএনপির এক সাবেক নেতা হারুনুর রশিদ (৬৫)। বুধবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার বাহ্রা স্কুলের কাছে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত হারুনুর রশিদ, যিনি স্থানীয়ভাবে ‘হারুন মাস্টার’ নামে পরিচিত, নয়াবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন। তাঁর বাড়ি উপজেলার বাহ্রা গ্রামে।

দোহার থানার ওসি হাসান আলী জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো পুরোনো বিরোধ থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হারুনুর রশিদের ভাতিজা মো. শাহিন বলেন, “প্রতিদিনের মতো আজও নামাজ শেষে ভোরে হাঁটতে বের হয়েছিলেন চাচা। তখন তিনজন যুবক তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। কারা এই হামলার পেছনে রয়েছে, তা আমরা বুঝতে পারছি না।”

স্থানীয়রা জানান, তারা সকালে গুলির শব্দ শুনে বাইরে বেরিয়ে আসেন। বাহ্রা স্কুলের সামনে গিয়ে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় হারুন মাস্টারকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে দ্রুত দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. নুসরাত তারিন জানান, মরদেহে মাথা, ঘাড় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছয়টি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৩:১৮:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
৭৭৩ Time View

দোহারে সন্ত্রাসীদের গুলিতে বিএনপি নেতা নিহত

আপডেটের সময় : ০৩:১৮:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

ঢাকার দোহার উপজেলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বিএনপির এক সাবেক নেতা হারুনুর রশিদ (৬৫)। বুধবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার বাহ্রা স্কুলের কাছে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত হারুনুর রশিদ, যিনি স্থানীয়ভাবে ‘হারুন মাস্টার’ নামে পরিচিত, নয়াবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন। তাঁর বাড়ি উপজেলার বাহ্রা গ্রামে।

দোহার থানার ওসি হাসান আলী জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো পুরোনো বিরোধ থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হারুনুর রশিদের ভাতিজা মো. শাহিন বলেন, “প্রতিদিনের মতো আজও নামাজ শেষে ভোরে হাঁটতে বের হয়েছিলেন চাচা। তখন তিনজন যুবক তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। কারা এই হামলার পেছনে রয়েছে, তা আমরা বুঝতে পারছি না।”

স্থানীয়রা জানান, তারা সকালে গুলির শব্দ শুনে বাইরে বেরিয়ে আসেন। বাহ্রা স্কুলের সামনে গিয়ে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় হারুন মাস্টারকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে দ্রুত দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. নুসরাত তারিন জানান, মরদেহে মাথা, ঘাড় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছয়টি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।