জাতীয় সংসদের সদ্য সাবেক ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার আসনে (গাইবান্ধা-৫) নৌকার টিকেট পেয়েছেন মাহমুদ হাসান রিপন। তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সভাপতি ও গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।

শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের এক যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে রিপনকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করে আওয়ামী লীগ।

এর আগে গত ২৩ জুলাই মারা যান সাবেক ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া। তার মৃত্যুতে গাইবান্ধা-৫ আসনটি শূন্য হয়। সংসদীয় আসনটি শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে উপ-নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় আসনটিতে প্রার্থী দিতে গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নের আবেদনপত্র বিক্রি করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। প্রথম দিনে মনোনয়ন কিনেছেন চারজন। এছাড়া দ্বিতীয় দিনে দুইজন এবং তৃতীয় দিনে আরও চারজন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কেনেন।

ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন সংগ্রহকারীদের মধ্যে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সভাপতি ও গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাহমুদ হাসান রিপন ছাড়াও প্রয়াত ফজলে রাব্বী মিয়ার মেয়ে ও ফুলছড়ি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারজানা রাব্বী বুবলী, ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জি এম সেলিম পারভেজ, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোছা. লুদা মিলা পারভীন, সাঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম শামসুল আরেফিন, সাঘাটা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আল মামুন ছিলেন।

এছাড়াও যুবলীগ নেত্রী পরিচয় দেওয়া উম্মে জান্নাতুল ফেরদৌস ও যুবলীগ নেতা পরিচয় দেওয়া সুশীল চন্দ্র সরকারও ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন।

সবশেষ শনিবার অন্যদের পেছনে ফেলে সংসদের ৩৩ নম্বর আসনটির নৌকার কাণ্ডারি হলেন রিপন।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সাঘাটা উপজেলার ১০টি ও ফুলছড়ি উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন নিয়ে গাইবান্ধা-৫ আসন গঠিত। দুই উপজেলা মিলে এই আসনে ভোটার সংখ্যা তিন লাখের বেশি।

উপ-নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়ন দাখিলের শেষ তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর। এরপর ১৫ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাই ও ১৬-১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিলের শেষ তারিখ নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়া আপিল নিষ্পত্তি ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর। পাশাপাশি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর। সবশেষ ২৩ সেপ্টেম্বর প্রতীক বরাদ্দ হয়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ অক্টোবর।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

x