মঙ্গলবার, ১৪ Jul ২০২০, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages
Filter by Categories
24 hour essay writing service
Uncategorized
অপরাধ
অর্থনীতি
আদালত
আন্তর্জাতিক
আবহাওয়া
ইসলাম
কলাম
ক্যাম্পাস
ক্রিকেট
খেলাধুলা
চাকুরির খবর
ছবি
জাতীয়
জীবন ব্যবস্থা
তথ্যপ্রযুক্তি
ধর্ম
নির্বাচিত খবর
পরামর্শ
পুঁজিবাজার
প্রবাস
ফিচার
ফুটবল
ফেসবুক কর্নার
বিনোদন
বিবিধ
ভিডিও
ভোটের হাওয়া
মতামত
রাজধানী
রাজনীতি
রিপোর্টার পরিচিতি
শিক্ষা
শিরোনাম
শিল্প ও সাহিত্য
শীর্ষ খবর
সকল বিভাগ
সবখবর
সম্পাদকীয়
সর্বশেষ
সংস্কৃতি
সাক্ষাৎকার
সারাদেশ
সিটি কর্পোরেশন
স্বাস্থ্য কথা
শিরোনাম

“মুখে কালি মেখে প্রতিবাদ জানালেন জলের গানের রাহুল আনন্দ”

ফারজানা চৌধুরী পাপড়ি

“মুখে কালি মেখে প্রতিবাদ জানালেন জলের গানের রাহুল আনন্দ”

রণেশ ঠাকুর দিরাইয়ের প্রয়াত বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিমের অন্যতম শিষ্য। ১৭ মে মধ্যরাতে দিরাইয়ের উজানধল গ্রামে তাঁর গানের আসরের ঘরে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে যায় বাউল রণেশ ঠাকুরের বাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনলাইনে ‘বাউল সংহতি’ ব্যানারে বাদ্যবিহীন প্রতিবাদী গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। গতকাল শনিবার রাত আটটায় এ অনুষ্ঠান শুরু হয়। লাইভ এই আয়োজনে অন্য অনেক শিল্পীদের সাথে সংহতি প্রকাশ করে গান গাইতে আসেন জলের গান’-এর প্রতিষ্ঠাতা রাহুল আনন্দ। সলিডারিটি কনসার্ট ফর রণেশ ঠাকুর’ শীর্ষক পরিবেশনার শুরুতেই রাহুল আনন্দ আক্ষেপ করে বলেন,,আমি কোনো প্রতিবাদ করবো না, আমি কোনো বিচার চাইবো ন। আগুনটা তো শুধুমাত্র রণেশ ঠাকুরের গানের ঘরে দেওয়া হয়নি; সে আগুনের আঁচ আমার ঘরেও এসেছে, এমনকি আপনার ঘরেও পড়েছে। কেন বাউলের ঘরে আগুন? বাউল তো সাম্যের কথা বলে, বাউল সুন্দরের কথা বলে,।

সংক্ষিপ্ত ভূমিকার পর নিজের গান শুরু করেন রাহুল আনন্দ। ‘মুনিয়া জানেরে তোর মনেরেই বেদন,ওই তন্ত্রমন্ত্রে পাই না তোরে, আমার ঘরে কে দিলো আগুন’- এমন কথায় গানটি পরিবেশনের সময় রাহুলের প্রতিবাদী কর্মকাণ্ড নজর কাড়ে সবার।গান গাওয়ার সময় নিজের পুরো মুখ কালি দিয়ে ঢেকে দেন রাহুল আনন্দ। রণেশ ঠাকুরের গানের ঘরে আগুন দেওয়ার মাধ্যমে শিল্পী ও শিল্পের প্রতি যে কলঙ্কজনক ঘটনা ঘটেছে মুখে কালি মেখে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান তিনি। এসময় নিজের গান ও ছবি আঁকার খাতা ছিঁড়েও প্রতিবাদ জানান রাহুল আনন্দ। তবে ব্যতিক্রমী এক প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সকল দর্শকদের আবেগতাড়িত করে তুলেন রাহুল আনন্দ।

পরবর্তীতে এ অনুষ্ঠানে যারা গান গাইতে আসেন তাদেরও ছুঁয়ে যায় রাহুলের এই প্রতিবাদ।টানা আড়াই ঘণ্টা এ অনুষ্ঠান চলে বাউল রণেশ ঠাকুরের গানের ঘরে আগুন দিয়ে বাউলের বাদ্যযন্ত্র আর ৪০ বছরের গানের সংগ্রহশালা নষ্ট করেছে দুর্বৃত্তরা। এর মাধ্যমে শিল্পী ও শিল্পের যে অবমাননা হয়েছে, তারই প্রতিবাদ জানান রাহুল আনন্দ। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন আয়োজনের সমন্বয়ক উজ্জ্বল দাশ। প্রথমেই গান পরিবেশনায় অংশ নেন বাউল রণেশ ঠাকুর। এ ছাড়া বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিল্পী বাপ্পা মজুমদার ও কনক আদিত্য, বাউল শফি মণ্ডল, বশিরউদ্দিন সরকার ও সূর্যলাল দাস, সৈয়দ হাসান টিপু, পিন্টু ঘোষ, আশিক, শিবু কুমার শীল ও প্রকাশ, কলকাতার শিল্পী দেব চৌধুরী ও রাজীব দাশ, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী তাজুল ইসলাম, লন্ডন প্রবাসী অমিত দে, গৌরী চৌধুরী ও সোহিনী আলম, জার্মানি প্রবাসী শবনম সুরিতা, অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী পারমিতা দে প্রমুখ অংশ নেন।

শেয়ার করুন...

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

%d bloggers like this: