যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রাশিয়ার তেল, গ্যাস ও কয়লা আমদানির ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার তিনি বলেছেন, এ পদক্ষেপের অর্থ পুতিনের নেতৃত্বের ওপর আমেরিকান জনগণ আরেকটি শক্তিশালী ধাক্কা দেবে।

যুক্তরাজ্য চলতি বছরের পর জ্বালানি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, আমরা পুতিনের যুদ্ধে ভর্তুকি দেওয়ার অংশ হব না।

বাইডেন বলেন, মিত্রদের সঙ্গে পরামর্শ করেই রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

হোয়াইট হাউসে এক বক্তৃতায় বাইডেন বলেন, এ পদক্ষেপের পর গ্যাসের দাম বাড়বে, তবে তেল সংস্থাগুলিকে ‘অতিরিক্ত’ মূল্য বৃদ্ধিতে জড়িত না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, পুতিন কখনো ইউক্রেনে জিততে পারবেন না।

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা সত্ত্বেও এ পদক্ষেপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক রাজনৈতিক সমর্থন পেয়েছে।

বাইডেন এমন ঘোষণা দিতে পারেন ধরে নিয়ে তেলের দাম বেড়েছে দেশটিতে।

ইতিমধ্যে বিকল্প বাজার খুঁজতে বাইডেন দ্বারস্থ হয়েছেন সৌদি আরব, ভেনেজুয়েলা ও ইরানের। তবে এসব দেশের কাছ থেকে তেল কেনার পরিকল্পনার জন্য বাইডনকে দ্বিমুখী সমালোচনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। খোদ মার্কিন সিনেটররাই এর সমালোচনা শুরু করেছেন। কেউ বলছেন ভেনেজুয়েলা বা ইরানের মতো দেশের কাছ থেকে তেল আমদানির পরিকল্পনা বা তাদের ওপর নির্ভর করা ঠিক হবে না।

অপর দিকে মঙ্গলবার ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে তারা বছরের শেষ নাগাদ রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ করবে।

যুক্তরাজ্যের বাণিজ্যমন্ত্রী কোয়াসি কোয়ার্টেংও বলেন, তিনি যুক্তরাজ্য রাশিয়ার বিকল্প উৎস থেকে গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নেবে।

ইইউ মঙ্গলবার রাশিয়ার গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমাতে পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা বলে, বছরের শেষ নাগাদ এর চাহিদা দুই তৃতীয়াংশ কমানোর লক্ষ্য রয়েছে।

অনেক ইউরোপীয় দেশের তুলনায় যুক্তরাজ্য রাশিয়ার জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর কম নির্ভরশীল। যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া থেকে ১৮ শতাংশ ডিজেল আমদানি করে আসছিল আর যুক্তরাজ্য ৮ শতাংশ জ্বালানি আমদানি করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

x