ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলে যুদ্ধক্ষেত্রের কাছে সোভিয়াতোহিরস্ক লাভরা নামে একটি শতাব্দি প্রাচীন মঠে আগুন লাগার ঘটনায় পরস্পরকে দোষারোপ করেছে রাশিয়া ও ইউক্রেন। বিবিসি ও আল জাজিরা শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবিসি জানিয়েছে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সোভিয়াতোহিরস্ক লাভরা মঠে অগ্নিকাণ্ডের জন্য ইউক্রেনের ‘জাতীয়তাবাদী’ সেনাদের দায়ী করেছে।

টেলিগ্রাম অ্যাপে দেওয়া এক বার্তায় রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইউক্রেনের ৭৯তম এয়ারবর্ন অ্যাসল্ট ব্রিগেডের ইউনিট সোভিয়াতোহিরস্ক থেকে পিছু হটছিল। এ সময় ইউক্রেনীয় জাতীয়তাবাদীরা কাঠের মঠে আগুন লাগিয়ে দেয়।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানায়, স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, একটি ইউক্রেনীয় কোজাক সাঁজোয়া যানে বসানো একটি বড়-ক্যালিবার মেশিনগান থেকে কাঠামোর গম্বুজযুক্ত স্থানের কাঠের দেয়ালে গুলি করা হয়।

এদিকে, ইউক্রেনের সেনা কর্মকর্তা ইউরি কোচেভেনকো ফেসবুকে জ্বলন্ত মঠের একটি ছবি পোস্ট করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, রাশিয়ান বর্বরদের আরেকটি অপরাধ যার কাছে পবিত্র বলে কিছুই নেই।

মঠটি সিভারস্কি দোনেৎস নদীর তীরে পাহাড়ের উপর অবস্থিত। সেখানে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে ঘেরাও করার লক্ষ্যে রুশ সেনারা বারবার নদী পার হওয়ার চেষ্টা করেছে। মঠটি স্লোভিয়ানস্কের ঠিক উত্তরে অবস্থিত। ওই শহরটি ইউক্রেনীয়দের দখলে রয়েছে।

মঠটি কয়েক শতাব্দী আগের। গত শতাব্দীতে কমিউনিস্টরা মঠটি বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ১৯৯২ সালে পুনরায় চালু করা হয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

x