ঢাকা
,
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এনসিপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল আমিনের ওপর হামলার চেষ্টা, আহত ২
ইন্টারন্যাশনাল ক্রিয়েটিভ আর্টস অ্যাওয়ার্ড এবং ফেলোশিপ পেলেন এআইপি মতিন সৈকত
শরীয়তপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক মো.আবু রায়হান ছিদ্দীক (মুকুল)
স্কুল চলাকালীন সময় স্কুলে প্রবেশ না করে গ্রিলের ফাঁক দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মিলালেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু
শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরণ করলেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু
কে কী বলল বিবেচ্য নয়, ভোট ১২ ফেব্রুয়ারিতেই- মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা
শিক্ষার্থীদের অবরোধে ঢাকার পাঁচ জায়গায় তীব্র যানজট
নির্বাচনে দায়িত্বে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
মালয়েশিয়া অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন প্রবাসীদের সুবিধার্থে QR Code/কনস্যুলার ফি পরিশোধ কাউন্টার সুবিধা চালু করেছে
কৃষকদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করলেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু
এনসিপি থেকে ২ সাবেক সেনা কর্মকর্তার পদত্যাগ
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তারা। এর আগে এনসিপির আহ্বায়কের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন দুজনেই।
তারা হলেন: যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মেজর (অব.) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ এবং কেন্দ্রীয় সদস্য মেজর (অব.) মো. সালাউদ্দিন।
সংবাদ সম্মেলনে মেজর (অব.) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ অভিযোগ করেন, এনসিপির সিনিয়র নেতারা নিয়মিত সেনাবাহিনী ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করে আসছে। এ বিষয়ে দলের সিনিয়র নেতৃত্বকে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো সুরাহা মেলেনি।
তিনি বলেন, এনসিপিতে নিজস্ব বলয় তৈরি হয়েছে। এর বাইরে কোনো মত শোনার মানসিকতা নেই। এমনকি সাবেক সেনা সদস্যদের দল থেকে শূন্য করে দেয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এই পরিবেশে আর কাজ করা সম্ভব নয়।
একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক দলে যদি পরমতসহিষ্ণুতা না থাকে তবে সেই দল দীর্ঘ পথ চলতে পারে না।
মেজর (অব.) আবদুল্লাহ বলেন, ‘নিজেদের পছন্দসই কাজ করে, অন্যদের দলে কোনো ভূমিকা রাখতে দিতে চায় না। তাই সরে যাচ্ছি। আমরা দুজনই সাবেক সেনা সদস্য এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে ছিলাম, এখন আমরা আর থাকছি না। এখানে কাজ করার মতো অবস্থা নেই।’
তিনি বলেন, ‘আমরা রাজনৈতিক অভিলাষ নিয়ে এনসিপিতে যোগ দিইনি, বরং দেশের জন্য নতুন পরিসরে কাজ করার প্রত্যাশায় এসেছিলাম। কিন্তু গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব ও ভিন্নমতের প্রতি অসম্মান আমাদের হতাশ করেছে।’
মেজর (অব.) আবদুল্লাহ বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের অসম্মানজনক মন্তব্য সহ্য করা এবং নেতৃত্বের সংকীর্ণ মানসিকতা মেনে নেয়া আর সম্ভব নয়। তাই আজ থেকে এনসিপির সঙ্গে আমাদের আর কোনো সম্পৃক্ততা থাকছে না।’
ট্যাগ :




























