ঢাকা , সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
তিতাসে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত হয়েছে বাংলা ৫২ নিউজ ডটকমের ১০ম বর্ষে পদার্পণ বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে মার্কিন কংগ্রেসম্যানদের চিঠি নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ওমানের শ্রমমন্ত্রীর সাথে ফলপ্রসূ আলোচনা: শীঘ্রই উন্মুক্ত হচ্ছে ওয়ার্ক ভিসা ডিএমএফ’র নবগঠিত কমিটির অভিষেক ও উপদেষ্টা পরিষদ ঘোষণা ইজারা ছাড়াই চলছে দেবিদ্বারের ঐতিহ্যবাহী পোনরা মেলা লক্ষাধিক টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে পৌরসভা আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বাংলাদেশ বদ্ধপরিকর চাঁদপুর -৪ ফরিদগঞ্জ গুপ্টি ইউনিয়নে দিনব্যাপী চিংড়ি প্রতীকে গণসংযোগ করেন এম এ হান্নান ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি

কার্ড মিটার–গরিব মানুষের জন্য অভিশাপ, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় চরম ভোগান্তি

মো. জয়নাল আবেদীন, কাপ্তাই প্রতিনিধি

 

কাপ্তাইসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কার্ড মিটার চালুর পর সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। একটি ফ্যান ও কয়েকটি লাইট চালিয়েই যেখানে আগে মাসিক বিল হতো ১৫০-২০০ টাকা, এখন শুধু মিটার চার্জই ২৫০ টাকার বেশি দিতে হচ্ছে। তার ওপর মূল বিদ্যুৎ ব্যবহারের টাকা আলাদা।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা প্রশ্ন তুলছেন-

“এ যেন সরকারি বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নয়, বরং কোম্পানির মত আচরণ। আগে টাকা দিতে হবে, তারপর বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবো! গরিব মানুষের জন্য বিদ্যুৎ কি তবে বিলাসিতা হয়ে গেল? সরকার গরিব হয়ে গেল নাকি গরিবের উপর জুলুম চাপিয়ে দিল?”

এছাড়া অভিযোগ উঠেছে, কার্ড মিটার না বসালে আইন-কানুনের জটিলতা ও চাপ প্রয়োগ করে মানুষকে বাধ্য করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ নিজেদের অসহায় মনে করছে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে-

“এটি একপ্রকার অমানবিক সিদ্ধান্ত। গরিব মানুষের ঘরে আলো-হাওয়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার এমন অমানবিক বাস্তবতায় লজ্জিত হওয়া উচিত।”

তাদের দাবি, কার্ড মিটার চার্জ কমিয়ে বা বাতিল করে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে আবার সবার জন্য সহজলভ্য করতে হবে। নইলে নিম্ন আয়ের মানুষদের বেঁচে থাকাই কঠিন হয়ে যাবে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০১:১৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৬৯৫ Time View

কার্ড মিটার–গরিব মানুষের জন্য অভিশাপ, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় চরম ভোগান্তি

আপডেটের সময় : ০১:১৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

কাপ্তাইসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কার্ড মিটার চালুর পর সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। একটি ফ্যান ও কয়েকটি লাইট চালিয়েই যেখানে আগে মাসিক বিল হতো ১৫০-২০০ টাকা, এখন শুধু মিটার চার্জই ২৫০ টাকার বেশি দিতে হচ্ছে। তার ওপর মূল বিদ্যুৎ ব্যবহারের টাকা আলাদা।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা প্রশ্ন তুলছেন-

“এ যেন সরকারি বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নয়, বরং কোম্পানির মত আচরণ। আগে টাকা দিতে হবে, তারপর বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবো! গরিব মানুষের জন্য বিদ্যুৎ কি তবে বিলাসিতা হয়ে গেল? সরকার গরিব হয়ে গেল নাকি গরিবের উপর জুলুম চাপিয়ে দিল?”

এছাড়া অভিযোগ উঠেছে, কার্ড মিটার না বসালে আইন-কানুনের জটিলতা ও চাপ প্রয়োগ করে মানুষকে বাধ্য করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ নিজেদের অসহায় মনে করছে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে-

“এটি একপ্রকার অমানবিক সিদ্ধান্ত। গরিব মানুষের ঘরে আলো-হাওয়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার এমন অমানবিক বাস্তবতায় লজ্জিত হওয়া উচিত।”

তাদের দাবি, কার্ড মিটার চার্জ কমিয়ে বা বাতিল করে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে আবার সবার জন্য সহজলভ্য করতে হবে। নইলে নিম্ন আয়ের মানুষদের বেঁচে থাকাই কঠিন হয়ে যাবে।