ঢাকা , রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দেবিদ্বার সরকারি হসপিটালে ঘটে গেলো এক করুন ঘটনা মধুখালীতে কথিত দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন, চাঁদাবাজি ও মিথ্যা প্রচারের অভিযোগ রিয়াদে প্রবাসীদের আয়োজনে বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত- বাংলা ১৪৩৩ নববর্ষ উদযাপনকে কেন্দ্র করে আনন্দঘন পরিবেশে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বৈশাখী উৎসবে মেতে উঠেছে প্রবাসী বাংলাদেশী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন অধ্যাদেশ সংসদে পাস কুষ্টিয়া কৃষক দল নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে খোকসায় মানববন্ধন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকছে না দলীয় প্রতীক জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন বিল পাশ, জামায়াতের আপত্তি, এনসিপির সমর্থন চাঁদপুর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত, হাজীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল জব্বার শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিতসহ ১২ বিল পাস ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে’র সাভার অফিসে মাসব্যাপী ‘বৈশাখী ঝড়ো অফার’-এর শুভ উদ্বোধন

কার্ড মিটার–গরিব মানুষের জন্য অভিশাপ, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় চরম ভোগান্তি

মো. জয়নাল আবেদীন, কাপ্তাই প্রতিনিধি

 

কাপ্তাইসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কার্ড মিটার চালুর পর সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। একটি ফ্যান ও কয়েকটি লাইট চালিয়েই যেখানে আগে মাসিক বিল হতো ১৫০-২০০ টাকা, এখন শুধু মিটার চার্জই ২৫০ টাকার বেশি দিতে হচ্ছে। তার ওপর মূল বিদ্যুৎ ব্যবহারের টাকা আলাদা।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা প্রশ্ন তুলছেন-

“এ যেন সরকারি বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নয়, বরং কোম্পানির মত আচরণ। আগে টাকা দিতে হবে, তারপর বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবো! গরিব মানুষের জন্য বিদ্যুৎ কি তবে বিলাসিতা হয়ে গেল? সরকার গরিব হয়ে গেল নাকি গরিবের উপর জুলুম চাপিয়ে দিল?”

এছাড়া অভিযোগ উঠেছে, কার্ড মিটার না বসালে আইন-কানুনের জটিলতা ও চাপ প্রয়োগ করে মানুষকে বাধ্য করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ নিজেদের অসহায় মনে করছে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে-

“এটি একপ্রকার অমানবিক সিদ্ধান্ত। গরিব মানুষের ঘরে আলো-হাওয়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার এমন অমানবিক বাস্তবতায় লজ্জিত হওয়া উচিত।”

তাদের দাবি, কার্ড মিটার চার্জ কমিয়ে বা বাতিল করে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে আবার সবার জন্য সহজলভ্য করতে হবে। নইলে নিম্ন আয়ের মানুষদের বেঁচে থাকাই কঠিন হয়ে যাবে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০১:১৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৭৫৮ Time View

কার্ড মিটার–গরিব মানুষের জন্য অভিশাপ, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় চরম ভোগান্তি

আপডেটের সময় : ০১:১৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

কাপ্তাইসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কার্ড মিটার চালুর পর সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। একটি ফ্যান ও কয়েকটি লাইট চালিয়েই যেখানে আগে মাসিক বিল হতো ১৫০-২০০ টাকা, এখন শুধু মিটার চার্জই ২৫০ টাকার বেশি দিতে হচ্ছে। তার ওপর মূল বিদ্যুৎ ব্যবহারের টাকা আলাদা।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা প্রশ্ন তুলছেন-

“এ যেন সরকারি বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নয়, বরং কোম্পানির মত আচরণ। আগে টাকা দিতে হবে, তারপর বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবো! গরিব মানুষের জন্য বিদ্যুৎ কি তবে বিলাসিতা হয়ে গেল? সরকার গরিব হয়ে গেল নাকি গরিবের উপর জুলুম চাপিয়ে দিল?”

এছাড়া অভিযোগ উঠেছে, কার্ড মিটার না বসালে আইন-কানুনের জটিলতা ও চাপ প্রয়োগ করে মানুষকে বাধ্য করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ নিজেদের অসহায় মনে করছে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে-

“এটি একপ্রকার অমানবিক সিদ্ধান্ত। গরিব মানুষের ঘরে আলো-হাওয়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার এমন অমানবিক বাস্তবতায় লজ্জিত হওয়া উচিত।”

তাদের দাবি, কার্ড মিটার চার্জ কমিয়ে বা বাতিল করে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে আবার সবার জন্য সহজলভ্য করতে হবে। নইলে নিম্ন আয়ের মানুষদের বেঁচে থাকাই কঠিন হয়ে যাবে।