ঢাকা , রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরাকে স্থায়ীভাবে অপসারণ

কাওসার হোসেন মামুন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরাকে পদ থেকে স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হয়েছে।’

মঙ্গলবার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়। উপসচিব মোঙ্গল চন্দ্র পাল স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে জিরুনা ত্রিপুরার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে জানানো হয়।’

জিরুনা ত্রিপুরা ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। দায়িত্ব নেওয়ার পরেই জেলা পরিষদের ১৪ জন সদস্য জিরুনা ত্রিপুরার বিরুদ্ধে পরিষদের সদস্যদের অবমূল্যায়ন,হস্তান্তরিত বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি, শিক্ষক বদলি-বাণিজ্য এবং ঠিকাদারদের বিল আটকে রেখে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তোলেন।’

এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চালায় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়। গত ৭ জুলাই বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে জিরুনাকে সাময়িকভাবে সব ধরনের দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়।’

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৬:৫৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
৫৯০ Time View

খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরাকে স্থায়ীভাবে অপসারণ

আপডেটের সময় : ০৬:৫৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরাকে পদ থেকে স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হয়েছে।’

মঙ্গলবার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়। উপসচিব মোঙ্গল চন্দ্র পাল স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে জিরুনা ত্রিপুরার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে জানানো হয়।’

জিরুনা ত্রিপুরা ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। দায়িত্ব নেওয়ার পরেই জেলা পরিষদের ১৪ জন সদস্য জিরুনা ত্রিপুরার বিরুদ্ধে পরিষদের সদস্যদের অবমূল্যায়ন,হস্তান্তরিত বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি, শিক্ষক বদলি-বাণিজ্য এবং ঠিকাদারদের বিল আটকে রেখে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তোলেন।’

এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চালায় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়। গত ৭ জুলাই বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে জিরুনাকে সাময়িকভাবে সব ধরনের দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়।’