ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এনসিপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল আমিনের ওপর হামলার চেষ্টা, আহত ২ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিয়েটিভ আর্টস অ্যাওয়ার্ড এবং ফেলোশিপ পেলেন এআইপি মতিন সৈকত শরীয়তপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক মো.আবু রায়হান ছিদ্দীক (মুকুল) স্কুল চলাকালীন সময় স্কুলে প্রবেশ না করে গ্রিলের ফাঁক দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মিলালেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরণ করলেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু কে কী বলল বিবেচ্য নয়, ভোট ১২ ফেব্রুয়ারিতেই- মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের অবরোধে ঢাকার পাঁচ জায়গায় তীব্র যানজট নির্বাচনে দায়িত্বে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মালয়েশিয়া অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন প্রবাসীদের সুবিধার্থে QR Code/কনস্যুলার ফি পরিশোধ কাউন্টার সুবিধা চালু করেছে কৃষকদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করলেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু

‘গণহত্যা করেও অনুশোচনা নেই হাসিনার, করছে দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র’

সাংবাদিক

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর আওয়ামী লীগের ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ। তিনি বলেছেন, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল এনসিপি নেতাদের হত্যা করা এবং হামলার নির্দেশদাতা ছিলেন স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পৃথক পৃথক স্ট্যাটাসে সোহেল তাজ এসব কথা বলেন।

সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে যে হামলা হয়েছে তার মূল উদ্দেশ্য ছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জুলাই-অগাস্ট গণঅভুত্থানের (নাহিদ, সার্জিস, হাসনাত, জারা) নেতাদের হত্যার একটি হীন চেষ্টা। আমি আশ্চর্য হবো না যদি ডেভিল রানী নিজেই এর নির্দেশ দিয়ে থাকেন।

খুনি হাসিনার সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, আত্মোপলব্ধি, আত্মসমালোচনা এবং অনুশোচনা তো দূরে থাক- হত্যা, গুম, খুন, গণহত্যা, নির্যাতন-নিপীড়ন, গণতন্ত্র ধ্বংস করে, দুর্নীতি করে লাখ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দেশটাকে শেষ করে ছাত্র-জনতার ঝাটাপেটা খেয়ে পালিয়ে গিয়ে এখন দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছে। সারা দেশে গোপালগঞ্জের মতো সন্ত্রাসী কায়দায় কার্যকলাপ চালানোর নির্দেশ দিচ্ছে।

প্রসঙ্গত, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির পূর্বনির্ধারিত ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কর্মসূচিতে হামলা চালিয়েছে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। বুধবার দুপুরের পর অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে পালটাপালটি ধাওয়া শুরু হলেও পরে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় অন্তত চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া পুলিশ, সাংবাদিক, সাধারণ পথচারীসহ আহতের সংখ্যা কয়েকশ। ঘটনার পর জেলাজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এদিন রাত ৮টা থেকে আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করে স্থানীয় প্রশাসন। হামলাকারীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের আলটিমেটাম দিয়েছে এনসিপি।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১১:৫৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
৭২৫ Time View

‘গণহত্যা করেও অনুশোচনা নেই হাসিনার, করছে দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র’

আপডেটের সময় : ১১:৫৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর আওয়ামী লীগের ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ। তিনি বলেছেন, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল এনসিপি নেতাদের হত্যা করা এবং হামলার নির্দেশদাতা ছিলেন স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পৃথক পৃথক স্ট্যাটাসে সোহেল তাজ এসব কথা বলেন।

সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে যে হামলা হয়েছে তার মূল উদ্দেশ্য ছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জুলাই-অগাস্ট গণঅভুত্থানের (নাহিদ, সার্জিস, হাসনাত, জারা) নেতাদের হত্যার একটি হীন চেষ্টা। আমি আশ্চর্য হবো না যদি ডেভিল রানী নিজেই এর নির্দেশ দিয়ে থাকেন।

খুনি হাসিনার সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, আত্মোপলব্ধি, আত্মসমালোচনা এবং অনুশোচনা তো দূরে থাক- হত্যা, গুম, খুন, গণহত্যা, নির্যাতন-নিপীড়ন, গণতন্ত্র ধ্বংস করে, দুর্নীতি করে লাখ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দেশটাকে শেষ করে ছাত্র-জনতার ঝাটাপেটা খেয়ে পালিয়ে গিয়ে এখন দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছে। সারা দেশে গোপালগঞ্জের মতো সন্ত্রাসী কায়দায় কার্যকলাপ চালানোর নির্দেশ দিচ্ছে।

প্রসঙ্গত, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির পূর্বনির্ধারিত ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কর্মসূচিতে হামলা চালিয়েছে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। বুধবার দুপুরের পর অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে পালটাপালটি ধাওয়া শুরু হলেও পরে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় অন্তত চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া পুলিশ, সাংবাদিক, সাধারণ পথচারীসহ আহতের সংখ্যা কয়েকশ। ঘটনার পর জেলাজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এদিন রাত ৮টা থেকে আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করে স্থানীয় প্রশাসন। হামলাকারীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের আলটিমেটাম দিয়েছে এনসিপি।