ঢাকা , শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুলাই বিপ্লব পরিষদের কঠোর প্রতিবাদ

সাংবাদিক

আজকের দিনে আমরা আরেকটি ন্যক্কারজনক দৃশ্য দেখলাম। গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নুরুল হক নুর এবং সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে রাষ্ট্রশক্তি প্রকাশ্যে রক্তাক্ত করেছে। সেনা ও পুলিশ বাহিনী যে নিষ্ঠুরভাবে ভিপি নূর ভাইকে লাথি, ঘুষি ও লাঠি দিয়ে পেটালো—তা শুধু একজন নেতার ওপর হামলা নয়, বরং গোটা তরুণ প্রজন্মের কণ্ঠরোধের চেষ্টা।

মনে রাখবেন, এই নূরই প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গর্জে ওঠা কণ্ঠস্বর ছিল। তার সাহসী ভূমিকাই আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে ফ্যাসিস্ট শাসনের দাঁত ভাঙা জবাব দিতে হয়। জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম খুঁটি সে-ই। তাই এই হামলার আঘাত সরাসরি আমাদের বুকের ভেতরে গিয়ে লাগে।

এই বর্বর হামলার বিরুদ্ধে জুলাই বিপ্লব পরিষদ তাত্ক্ষণিক মশাল মিছিল বের করেছে, দনিয়া কলেজ থেকে যাত্রাবাড়ী শহিদী ঐক্য চত্বর পর্যন্ত জ্বলে উঠেছে আমাদের ক্ষোভের আগুন।

আমরা পরিষ্কার জানিয়ে দিচ্ছি—
👉 তরুণদের ওপর আক্রমণ মানে আগামী প্রজন্মের স্বপ্নকে ধ্বংসের চেষ্টা।
👉 গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে কোনো পিছু হটা নেই।
👉 ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চলবেই, রাজপথেই এর জবাব দেওয়া হবে।

জুলাই বিপ্লব পরিষদের অঙ্গীকার:
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য আমরা শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়ব। কোনো ভয়, কোনো দমননীতি আমাদের থামাতে পারবে না।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৬:৩৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
৫২০ Time View

জুলাই বিপ্লব পরিষদের কঠোর প্রতিবাদ

আপডেটের সময় : ০৬:৩৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

আজকের দিনে আমরা আরেকটি ন্যক্কারজনক দৃশ্য দেখলাম। গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নুরুল হক নুর এবং সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে রাষ্ট্রশক্তি প্রকাশ্যে রক্তাক্ত করেছে। সেনা ও পুলিশ বাহিনী যে নিষ্ঠুরভাবে ভিপি নূর ভাইকে লাথি, ঘুষি ও লাঠি দিয়ে পেটালো—তা শুধু একজন নেতার ওপর হামলা নয়, বরং গোটা তরুণ প্রজন্মের কণ্ঠরোধের চেষ্টা।

মনে রাখবেন, এই নূরই প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গর্জে ওঠা কণ্ঠস্বর ছিল। তার সাহসী ভূমিকাই আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে ফ্যাসিস্ট শাসনের দাঁত ভাঙা জবাব দিতে হয়। জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম খুঁটি সে-ই। তাই এই হামলার আঘাত সরাসরি আমাদের বুকের ভেতরে গিয়ে লাগে।

এই বর্বর হামলার বিরুদ্ধে জুলাই বিপ্লব পরিষদ তাত্ক্ষণিক মশাল মিছিল বের করেছে, দনিয়া কলেজ থেকে যাত্রাবাড়ী শহিদী ঐক্য চত্বর পর্যন্ত জ্বলে উঠেছে আমাদের ক্ষোভের আগুন।

আমরা পরিষ্কার জানিয়ে দিচ্ছি—
👉 তরুণদের ওপর আক্রমণ মানে আগামী প্রজন্মের স্বপ্নকে ধ্বংসের চেষ্টা।
👉 গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে কোনো পিছু হটা নেই।
👉 ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চলবেই, রাজপথেই এর জবাব দেওয়া হবে।

জুলাই বিপ্লব পরিষদের অঙ্গীকার:
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য আমরা শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়ব। কোনো ভয়, কোনো দমননীতি আমাদের থামাতে পারবে না।