ঠাকুরগাঁও-৩ এ বিএনপি-জামায়াত লড়াই, পাশে জাতীয় পার্টি। ৪৩ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ।
আনোয়ারুল ইসলাম,রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি:- আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র ৩ দিন বাকি। শেষ দিকে এসে ঠাকুরগাঁও-৩(রাণীশংকৈল-পীরগঞ্জ) নির্বাচনী এলাকায় দৌড়ঝাঁপ, প্রচারণা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে উঠেছে।
এ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মাঠে আছেন,তবে মূলত লড়াইটা হচ্ছে বিএনপি(ধানের শীষ),জামায়াতে ইসলামী (দাঁড়িপাল্লা) ও জাতীয় পার্টি(লাঙ্গল)এর মধ্যে। যদিও বর্তমানে দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াত মুখোমুখি অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। পাশ থেকে জাতীয় পার্টিও তার অবস্থান নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাচ্ছে।
এখন, প্রার্থীরা ও তাদের কর্মিরা পথে-ঘাটে মাইকিং, পথসভা ছাড়াও বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারণা করে ভোট চাচ্ছেন। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান পীরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। একাধিক বারের সাবেক সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির প্রার্থী হাফিজ উদ্দীন আহম্মদও একই উপজেলার বাসিন্দা। এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মিজানুর রহমান মাস্টার রাণীশংকৈল উপজেলার বাসিন্দা। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও দু’বারের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান।
এ আসনে মাঠে থাকা অন্য প্রার্থীরা হলেন- গণ অধিকার পরিষদের মামুনুর রশিদ মামুন(ট্রাক প্রতিক), সুপ্রিম পার্টির আবুল কালাম আজাদ( একতারা),ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র আল আমিন(হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আশামনি(ফুটবল), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রভাত সমীর শাহজাহান আলম(কাস্তে), বাংলাদেশ মাইনরিটি পার্টির কমলা কান্ত রায়(রকেট) এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগের খলিলুর রহমান( হারিকেন)। রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রমতে, এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৬১০৪৪ জন।এর মধ্যে ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে পীরগঞ্জ উপজেলার ভোটার সংখ্যা ২১২৫৮৪ জন।
এদিকে ২টি ইউনিয়ন বাদে ৬ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে রাণীশংকৈল উপজেলার ভোটার সংখ্যা ১৪৮৪৫০ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১২৮ টি। তার মধ্যে পীরগঞ্জে ৭৬টি এবং রাণীশংকৈলে ৫২টি। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র পীরগঞ্জে ২৫টি এবং রাণীশংকৈলে ১৮ টি। পীরগঞ্জ থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম ও রাণীশংকৈল থানার ওসি আমান আল বারী এ তথ্য জানান। তারা জানান, এখন পর্যন্ত এ নির্বাচনী এলাকায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এলাকায় পুলিশের টহল কার্যক্রম অব্যাহত আছে।




















