ঢাকার ২০টি আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই আজ
ঢাকা মহানগরীর ১৩টি আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে সেগুনবাগিচায় রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে। বাকি আসনগুলোর বাছাই কার্যক্রম চলবে আগারগাঁওয়ের নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) সম্মেলন কক্ষে।
এদিন প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতা ও হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে রিটার্নিং অফিসাররা মনোনয়নপত্র বৈধ বা বাতিলের ঘোষণা দেবেন।
বাছাইয়ে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল দাখিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তির পর কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী জানিয়েছেন, শনিবার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। এরই মধ্যে সহকারী রিটার্নিং অফিসাররা প্রার্থীদের হলফনামাসহ সার্বিক বিবরণী চূড়ান্তভাবে গুছিয়ে রেখেছেন।
ঢাকার বিভিন্ন আসনে জমা পড়া মনোনয়নপত্রের সংখ্যা হচ্ছে—ঢাকা-১ আসনে আটটি, ঢাকা-২ আসনে তিনটি, ঢাকা-৩ আসনে ১৬টি, ঢাকা-৪ আসনে ৮টি, ঢাকা-৫ আসনে ১৬টি, ঢাকা-৬ আসনে সাতটি, ঢাকা-৭ আসনে ১৫টি, ঢাকা-৮ আসনে ১২টি, ঢাকা-৯ আসনে ১৪টি, ঢাকা-১০ আসনে ১৩টি, ঢাকা-১১ আসনে ১১টি, ঢাকা-১২ আসনে ১৮টি, ঢাকা-১৩ আসনে ১১টি, ঢাকা-১৪ আসনে ১৩টি, ঢাকা-১৫ আসনে ৯টি, ঢাকা-১৬ আসনে ১৩টি, ঢাকা-১৭ আসনে ১৭টি, ঢাকা-১৮ আসনে ১৭টি, ঢাকা-১৯ আসনে ১১টি এবং ঢাকা-২০ আসনে ৭ জনের মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সারা দেশে আগামী ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষ হবে। এরপর রিটার্নিং কর্মকর্তার আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি, আপিল নিষ্পত্তি ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারে শেষ সময় ২০ জানুয়ারি, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি, নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ২২ জানুয়ারি থেকে ভোট শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা।
এদিকে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রার্থীর সঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচজন (প্রস্তাবক, সমর্থক ও আইনজীবীসহ) উপস্থিত থাকতে পারবেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ১২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী—ঋণখেলাপি হওয়া, আয়কর জটিলতা, হলফনামায় ভুল তথ্য বা ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনে অসংগতি থাকলে মনোনয়নপত্র বাতিল হতে পারে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে যারা সাবেক সংসদ সদস্য, তাদের ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের প্রয়োজন পড়বে না।



















