ঢাকা , শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এনসিপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল আমিনের ওপর হামলার চেষ্টা, আহত ২ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিয়েটিভ আর্টস অ্যাওয়ার্ড এবং ফেলোশিপ পেলেন এআইপি মতিন সৈকত শরীয়তপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক মো.আবু রায়হান ছিদ্দীক (মুকুল) স্কুল চলাকালীন সময় স্কুলে প্রবেশ না করে গ্রিলের ফাঁক দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মিলালেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরণ করলেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু কে কী বলল বিবেচ্য নয়, ভোট ১২ ফেব্রুয়ারিতেই- মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের অবরোধে ঢাকার পাঁচ জায়গায় তীব্র যানজট নির্বাচনে দায়িত্বে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মালয়েশিয়া অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন প্রবাসীদের সুবিধার্থে QR Code/কনস্যুলার ফি পরিশোধ কাউন্টার সুবিধা চালু করেছে কৃষকদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করলেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু

বিদেশে অর্থপাচার রোধে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা জরুরি: প্রধান উপদেষ্টা

সাংবাদিক

দেশে থেকে বিদেশে কোটি কোটি ডলার পাচার রোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক আইন প্রণয়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস। বুধবার (৩ সেপেটম্ব) রাষ্ট্রীয় অতিথিশালা যমুনায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) চেয়ারম্যান ফ্রাঁসোয়া ভ্যালেরিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা প্রায়শই জানি এই পাচার হওয়া অর্থ কোথা থেকে এসেছে, কিন্তু তা বৈধ হস্তান্তর হিসেবে মেনে নেওয়া হচ্ছে। যথাযথ পদক্ষেপ নেই।’

তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার কারণে দক্ষিণ এশিয়ার ও অন্যান্য দেশের কোটি কোটি ডলার বিদেশে স্থানান্তর রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। স্বৈরশাসনের সময় বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো।

অধ্যাপক ইউনুস আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ও আর্থিক নিয়মের সমালোচনা করে বলেন, ‘এই নিয়মগুলো লুটপাট করা অর্থ বিদেশে সহজে পাঠাতে সাহায্য করে।’

চিফ অ্যাডভাইজার আরও বলেন, কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবৈধ অর্থ জেনেও রাখছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি টিআইয়ের প্রতি আহ্বান জানান, তারা একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম গঠন করে বাধ্যতামূলক আইন প্রণয়নে নেতৃত্ব দিক, যাতে পাচার হওয়া অর্থ নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পৌঁছাতে না পারে।

টিআই চেয়ারম্যান ফ্রাঁসোয়া ভ্যালেরিয়ান বলেন, ‘মধ্যবর্তী সরকার চুরি হওয়া সম্পদ ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছে। কিন্তু আরও কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও শক্তিশালী নিয়ম প্রয়োজন।’

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক হলেন ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, টিআই বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য শাখার যৌথ প্রচেষ্টায় শেখ হাসিনার সহযোগীদের অর্জিত সম্পদ জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৩:৫৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৬৩৪ Time View

বিদেশে অর্থপাচার রোধে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা জরুরি: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেটের সময় : ০৩:৫৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দেশে থেকে বিদেশে কোটি কোটি ডলার পাচার রোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক আইন প্রণয়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস। বুধবার (৩ সেপেটম্ব) রাষ্ট্রীয় অতিথিশালা যমুনায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) চেয়ারম্যান ফ্রাঁসোয়া ভ্যালেরিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা প্রায়শই জানি এই পাচার হওয়া অর্থ কোথা থেকে এসেছে, কিন্তু তা বৈধ হস্তান্তর হিসেবে মেনে নেওয়া হচ্ছে। যথাযথ পদক্ষেপ নেই।’

তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার কারণে দক্ষিণ এশিয়ার ও অন্যান্য দেশের কোটি কোটি ডলার বিদেশে স্থানান্তর রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। স্বৈরশাসনের সময় বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো।

অধ্যাপক ইউনুস আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ও আর্থিক নিয়মের সমালোচনা করে বলেন, ‘এই নিয়মগুলো লুটপাট করা অর্থ বিদেশে সহজে পাঠাতে সাহায্য করে।’

চিফ অ্যাডভাইজার আরও বলেন, কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবৈধ অর্থ জেনেও রাখছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি টিআইয়ের প্রতি আহ্বান জানান, তারা একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম গঠন করে বাধ্যতামূলক আইন প্রণয়নে নেতৃত্ব দিক, যাতে পাচার হওয়া অর্থ নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পৌঁছাতে না পারে।

টিআই চেয়ারম্যান ফ্রাঁসোয়া ভ্যালেরিয়ান বলেন, ‘মধ্যবর্তী সরকার চুরি হওয়া সম্পদ ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছে। কিন্তু আরও কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও শক্তিশালী নিয়ম প্রয়োজন।’

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক হলেন ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, টিআই বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য শাখার যৌথ প্রচেষ্টায় শেখ হাসিনার সহযোগীদের অর্জিত সম্পদ জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।