ঢাকা , সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানে গ্রাউস ও ওয়ার্ড ভিশন কর্তৃক দরিদ্র পরিবারের উন্নয়নে বিকাশ এর মাধ্যমে অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে সদর ইউএনও আড়াইহাজারে স্বাধীনতা কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত ইরানে টানা কয়েক সপ্তাহ স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বিকালে বসছে সংসদ অধিবেশন ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ইং উপলক্ষে রিয়াদে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সৌদি প্রবাসীদের মাতালো এনটিভ দর্শক ও সাংস্কৃতিক ফোরাম স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী আর নেই বর্তমান পোশাকে পুলিশ সদস্যরা সন্তুষ্ট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী কোটালীপাড়ায় চিকিৎসাধীন যুবকের ওপর হামলা, অবস্থা আশঙ্কাজনক আমিন বাজার সাদুল্যাপুর ভূমি অফিসে দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও হয়রানির গুরুতর অভিযোগ

রায়ের বাজার থেকে ১১৪ মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ

সাংবাদিক

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিহত ১১৪টি লাশ রায়ের বাজার কবরস্থান থেকে উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পরিচয় শনাক্তের জন্য সোমবার (৪ আগস্ট) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য জানান। জানা যায়, মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক মো. মাহিদুল ইসলাম লাশ উত্তোলন চেয়ে এ আবেদন করেন।

ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন বয়সের নারী ও পুরুষ মৃত্যু বরণ করেন। যাদের মধ্যে ১১৪ জন অজ্ঞাতনামা মরদেহকে অশনাক্ত হিসেবে রায়ের বাজার কররস্থানে দাফন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আইনতগত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং মৃতদেহ শনাক্তকরণের জন্য লাশ যথাযথ আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কবর হতে উত্তোলন করা প্রয়োজন।

এসব লাশ পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রস্তুত, মৃত দেহের ডিএনএ সংগ্রহের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হতে হবে। এছাড়া আইনি কার্যক্রম শেষে ডিএনএ প্রোফাইলিং এর মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিতকরণের পর পরিবারের চাহিদা মোতাবেক মৃতদেহ তাদের পরিবারের নিকট, হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এরপর আদালত আবেদনসহ নথি পর্যালোচনা করেন। সার্বিক পর্যালোচনা শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি এর ১৭৬(২) ধারার বিধান অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে অজ্ঞাত সেই লাশগুলো উত্তোলন করার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে সেই কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর জোনের এডিসি জুয়েল রানা সংবাদ মাধ্যমকে জানান, অনিবার্য কারণবশত আজকে রায়েরবাজার কবরস্থান থেকে লাশ উত্তোলন ও ডিএনএ প্রোফাইল সংরক্ষণের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

তারও আগে গত ২ আগস্ট রায়েরবাজার কবরস্থানে গণকবর পরিদর্শন যান স্বরাষ্ট্র উপদষ্টো লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, এখানে ১০০ জনের ওপরে দাফন করা হয়েছে। তাদের অনেককে কিন্তু শনাক্ত করা যায়নি। মরদেহগুলো ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে শনাক্ত করবো।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:২৯:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
৬৭৪ Time View

রায়ের বাজার থেকে ১১৪ মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ

আপডেটের সময় : ০৫:২৯:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিহত ১১৪টি লাশ রায়ের বাজার কবরস্থান থেকে উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পরিচয় শনাক্তের জন্য সোমবার (৪ আগস্ট) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য জানান। জানা যায়, মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক মো. মাহিদুল ইসলাম লাশ উত্তোলন চেয়ে এ আবেদন করেন।

ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন বয়সের নারী ও পুরুষ মৃত্যু বরণ করেন। যাদের মধ্যে ১১৪ জন অজ্ঞাতনামা মরদেহকে অশনাক্ত হিসেবে রায়ের বাজার কররস্থানে দাফন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আইনতগত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং মৃতদেহ শনাক্তকরণের জন্য লাশ যথাযথ আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কবর হতে উত্তোলন করা প্রয়োজন।

এসব লাশ পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রস্তুত, মৃত দেহের ডিএনএ সংগ্রহের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হতে হবে। এছাড়া আইনি কার্যক্রম শেষে ডিএনএ প্রোফাইলিং এর মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিতকরণের পর পরিবারের চাহিদা মোতাবেক মৃতদেহ তাদের পরিবারের নিকট, হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এরপর আদালত আবেদনসহ নথি পর্যালোচনা করেন। সার্বিক পর্যালোচনা শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি এর ১৭৬(২) ধারার বিধান অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে অজ্ঞাত সেই লাশগুলো উত্তোলন করার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে সেই কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর জোনের এডিসি জুয়েল রানা সংবাদ মাধ্যমকে জানান, অনিবার্য কারণবশত আজকে রায়েরবাজার কবরস্থান থেকে লাশ উত্তোলন ও ডিএনএ প্রোফাইল সংরক্ষণের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

তারও আগে গত ২ আগস্ট রায়েরবাজার কবরস্থানে গণকবর পরিদর্শন যান স্বরাষ্ট্র উপদষ্টো লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, এখানে ১০০ জনের ওপরে দাফন করা হয়েছে। তাদের অনেককে কিন্তু শনাক্ত করা যায়নি। মরদেহগুলো ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে শনাক্ত করবো।