ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এনসিপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল আমিনের ওপর হামলার চেষ্টা, আহত ২ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিয়েটিভ আর্টস অ্যাওয়ার্ড এবং ফেলোশিপ পেলেন এআইপি মতিন সৈকত শরীয়তপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক মো.আবু রায়হান ছিদ্দীক (মুকুল) স্কুল চলাকালীন সময় স্কুলে প্রবেশ না করে গ্রিলের ফাঁক দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মিলালেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরণ করলেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু কে কী বলল বিবেচ্য নয়, ভোট ১২ ফেব্রুয়ারিতেই- মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের অবরোধে ঢাকার পাঁচ জায়গায় তীব্র যানজট নির্বাচনে দায়িত্বে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মালয়েশিয়া অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন প্রবাসীদের সুবিধার্থে QR Code/কনস্যুলার ফি পরিশোধ কাউন্টার সুবিধা চালু করেছে কৃষকদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করলেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু

সচিবালয়ে আন্দোলনকারী ১৪ কর্মচারী বরখাস্ত

সাংবাদিক

‘সচিবালয় ভাতা’র দাবিতে আন্দোলন করা ১৪ জন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। তাদের বিরুদ্ধে করা মামলায় আদালত চার্জশিট গ্রহণ করায় নিয়ম অনুযায়ী তাদের সামরিক বরখাস্ত করা হলো। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ১৫ ডিসেম্বর কর্মচারীদের সাময়িক বরখাস্ত করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া কর্মচারীদের মধ্যে কর্মকর্তা কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির, সহ-সভাপতি শাহীন গোলাম রাব্বানী ও নজরুল ইসলামও রয়েছেন।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মচারীদের মধ্যে অন্যান্যরা হলেন- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মো. তায়েফুল ইসলাম, বিকাশ চন্দ্র রায়, ইসলামুল হক, মো. মহসিন আলী, রোমান গাজী, আবু বেলাল।

এছাড়া তথ্য মন্ত্রণালয়ের মিজানুর রহমান সুমন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী কামাল হোসেন ও মোহাম্মদ আলিমুজ্জামান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিপুল রানা বিপ্লব ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নাসিরুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সচিবালয় ভাতার দাবিতে গত ১০ ডিসেম্বর প্রায় ছয় ঘণ্টা সচিবালয়ের দপ্তরে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন কর্মচারীরা। বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের একাংশের নেতৃত্বে মূলত এ আন্দোলন হয়।

পরের দিন ফের আন্দোলনে নামলে নেতৃত্ব দেওয়া কর্মচারীদের আটক করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরে তাদের ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার দেখানো হয়। তাদের রিমান্ডেও পাঠিয়েছিল আদালত।

গত ১০ ডিসেম্বর দুপুর আড়াইটা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে তার দপ্তরের অবরুদ্ধ করে রাখেন কর্মচারীরা। পরে পুলিশের সহায়তায় দপ্তর ত্যাগ করেন উপদেষ্টা।

দাবি পূরণে সরকার আশ্বাস দেওয়ার পরদিনও আন্দোলন অব্যাহত রাখে কর্মচারীরা।সরকার থেকে সতর্ক করা হলেও তারা মাঠ ছাড়নি। এরপর কঠোর অবস্থান নেয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সচিবালয়ের ভেতর থেকেই কয়েকজনকে আটক করা হয়।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৯:৩৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
৫৭৫ Time View

সচিবালয়ে আন্দোলনকারী ১৪ কর্মচারী বরখাস্ত

আপডেটের সময় : ০৯:৩৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

‘সচিবালয় ভাতা’র দাবিতে আন্দোলন করা ১৪ জন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। তাদের বিরুদ্ধে করা মামলায় আদালত চার্জশিট গ্রহণ করায় নিয়ম অনুযায়ী তাদের সামরিক বরখাস্ত করা হলো। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ১৫ ডিসেম্বর কর্মচারীদের সাময়িক বরখাস্ত করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া কর্মচারীদের মধ্যে কর্মকর্তা কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির, সহ-সভাপতি শাহীন গোলাম রাব্বানী ও নজরুল ইসলামও রয়েছেন।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মচারীদের মধ্যে অন্যান্যরা হলেন- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মো. তায়েফুল ইসলাম, বিকাশ চন্দ্র রায়, ইসলামুল হক, মো. মহসিন আলী, রোমান গাজী, আবু বেলাল।

এছাড়া তথ্য মন্ত্রণালয়ের মিজানুর রহমান সুমন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী কামাল হোসেন ও মোহাম্মদ আলিমুজ্জামান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিপুল রানা বিপ্লব ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নাসিরুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সচিবালয় ভাতার দাবিতে গত ১০ ডিসেম্বর প্রায় ছয় ঘণ্টা সচিবালয়ের দপ্তরে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন কর্মচারীরা। বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের একাংশের নেতৃত্বে মূলত এ আন্দোলন হয়।

পরের দিন ফের আন্দোলনে নামলে নেতৃত্ব দেওয়া কর্মচারীদের আটক করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরে তাদের ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার দেখানো হয়। তাদের রিমান্ডেও পাঠিয়েছিল আদালত।

গত ১০ ডিসেম্বর দুপুর আড়াইটা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে তার দপ্তরের অবরুদ্ধ করে রাখেন কর্মচারীরা। পরে পুলিশের সহায়তায় দপ্তর ত্যাগ করেন উপদেষ্টা।

দাবি পূরণে সরকার আশ্বাস দেওয়ার পরদিনও আন্দোলন অব্যাহত রাখে কর্মচারীরা।সরকার থেকে সতর্ক করা হলেও তারা মাঠ ছাড়নি। এরপর কঠোর অবস্থান নেয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সচিবালয়ের ভেতর থেকেই কয়েকজনকে আটক করা হয়।