ঢাকা , শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

সাংবাদিক

সৌদি আরবের আল খোবার শহরে তিন সন্তানকে বাথটাবের পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেছেন এক ভারতীয় নারী। এরপর তিনি নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। ওই নারীর নাম সাইদা হুমাইরা আমরিন। তিনি ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা।

স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার এই ঘটনা ঘটে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ওই নারী ভিজিট ভিসায় সৌদি আরবে ছিলেন। তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

নিহত শিশুরা হলো- সাত বছর বয়সী যমজ সাদেক আহমেদ ও আদেল আহমেদ এবং তাদের তিন বছর বয়সী ছোট ভাই ইউসুফ আহমেদ।

কাজ শেষে বাসায় ফিরে তাদের বাবা মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ সন্তানদের মৃত অবস্থায় পান। তিনি সঙ্গে সঙ্গে সৌদি কর্তৃপক্ষকে খবর দেন। পরে পুলিশ আমরিনকে আটক করে।পরিবারের দাবি, আমরিন কিছুদিন ধরে মানসিক অস্থিরতা ও একাকীত্বে ভুগছিলেন।

ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক দ্বন্দ্বও এ ঘটনার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। তবে ঠিক কী কারণে তিনি এ পদক্ষেপ নিয়েছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। সৌদি পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:৪২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
৫০৯ Time View

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

আপডেটের সময় : ০৫:৪২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

সৌদি আরবের আল খোবার শহরে তিন সন্তানকে বাথটাবের পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেছেন এক ভারতীয় নারী। এরপর তিনি নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। ওই নারীর নাম সাইদা হুমাইরা আমরিন। তিনি ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা।

স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার এই ঘটনা ঘটে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ওই নারী ভিজিট ভিসায় সৌদি আরবে ছিলেন। তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

নিহত শিশুরা হলো- সাত বছর বয়সী যমজ সাদেক আহমেদ ও আদেল আহমেদ এবং তাদের তিন বছর বয়সী ছোট ভাই ইউসুফ আহমেদ।

কাজ শেষে বাসায় ফিরে তাদের বাবা মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ সন্তানদের মৃত অবস্থায় পান। তিনি সঙ্গে সঙ্গে সৌদি কর্তৃপক্ষকে খবর দেন। পরে পুলিশ আমরিনকে আটক করে।পরিবারের দাবি, আমরিন কিছুদিন ধরে মানসিক অস্থিরতা ও একাকীত্বে ভুগছিলেন।

ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক দ্বন্দ্বও এ ঘটনার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। তবে ঠিক কী কারণে তিনি এ পদক্ষেপ নিয়েছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। সৌদি পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।