ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি পুরোপুরি নেতিবাচক নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী সোনারগাঁয়ে জামায়াত কর্মীর বাসায় হামলা ও ভাঙচুর, আহত ৩ সিরাজদিখানে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে বিএভিএস ও চট্টগ্রাম এলজিইডি কার্যালয়ে দুদকের অভিযান তাহিরপুর উপজেলা নির্বাচন চেয়ারম্যান পদে মিটু রঞ্জন পালের প্রার্থীতা ঘোষণা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে হুইপ হলেন শরীয়তপুর-৩ আসনের এমপি মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হতে চান শিল্পী রেজা, তৃণমূল থেকে বাড়ছে সমর্থন হাজারো যাত্রী বিমানবন্দরে আটকা, খোঁজ নিলেন তারেক রহমান ইরানে ৭ দিনের সরকারি ছুটি ও ৪০ দিনের শোক ঘোষণা খামেনি নিহত হয়েছেন, নিশ্চিত করল ইরানি সংবাদমাধ্যম

১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন : প্রেস সচিব

সাংবাদিক

 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ভিন্নমত থাকলেও আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুক আহমেদের গ্রামের বাড়ি পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, দল থাকলে মতপার্থক্য থাকবেই। না হলে ভিন্নদল কেন হয়? আপনি যদি আমার মতোই হবেন তাহলে তো আপনি আমার দলই করবেন। সে জন্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে ভিন্নমত থাকবেই। কিন্তু আমরা আবারও বলছি, নির্বাচন ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের মধ্যেই হবে।

প্রেস সচিব বলেন, নির্বাচনের সময় পেছানোর কোনো সম্ভাবনা নেই। নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই হবে। এটা আমাদের অন্তর্বর্তী সরকারের একটি কমিটমেন্ট। কেউ যদি মনে করেন যে এটা বানচালের চেষ্টা করবেন তাহলে সেটা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে এই নির্বাচনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচন। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, এটা একটি ফাউন্ডেশনাল ইলেকশন। এটি সামনের নির্বাচনগুলোকে দিকনির্দেশনা দেবে এবং বাংলাদেশের রাজনীতিকেও সামনে এগিয়ে নেওয়ার দিকনির্দেশনা দেবে। তাই এই নির্বাচন ফেব্রুয়ারি প্রথমার্ধে হবেই।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের এ সময় ঘোষণা করেছেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার, নির্বাচন কমিশন (ইসি) এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি ইতোমধ্যে জনসমক্ষে এসেছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন আয়োজনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেমন পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে যেন কোনো ধরনের সহিংসতা বা অনিয়মের ঘটনা না ঘটে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৮:৫৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৬৪৫ Time View

১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন : প্রেস সচিব

আপডেটের সময় : ০৮:৫৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ভিন্নমত থাকলেও আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুক আহমেদের গ্রামের বাড়ি পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, দল থাকলে মতপার্থক্য থাকবেই। না হলে ভিন্নদল কেন হয়? আপনি যদি আমার মতোই হবেন তাহলে তো আপনি আমার দলই করবেন। সে জন্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে ভিন্নমত থাকবেই। কিন্তু আমরা আবারও বলছি, নির্বাচন ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের মধ্যেই হবে।

প্রেস সচিব বলেন, নির্বাচনের সময় পেছানোর কোনো সম্ভাবনা নেই। নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই হবে। এটা আমাদের অন্তর্বর্তী সরকারের একটি কমিটমেন্ট। কেউ যদি মনে করেন যে এটা বানচালের চেষ্টা করবেন তাহলে সেটা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে এই নির্বাচনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচন। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, এটা একটি ফাউন্ডেশনাল ইলেকশন। এটি সামনের নির্বাচনগুলোকে দিকনির্দেশনা দেবে এবং বাংলাদেশের রাজনীতিকেও সামনে এগিয়ে নেওয়ার দিকনির্দেশনা দেবে। তাই এই নির্বাচন ফেব্রুয়ারি প্রথমার্ধে হবেই।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের এ সময় ঘোষণা করেছেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার, নির্বাচন কমিশন (ইসি) এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি ইতোমধ্যে জনসমক্ষে এসেছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচন আয়োজনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেমন পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে যেন কোনো ধরনের সহিংসতা বা অনিয়মের ঘটনা না ঘটে।