হাজীগঞ্জে ভোক্তা অধিকার অভিযানে ৭ প্রতিষ্ঠানে ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা জরিমানা
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চাঁদপুর জেলা কার্যালয় এবং যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন–২০০৯ অনুযায়ী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
সোমবার ১২ -০১-২০২৬ হাজীগঞ্জ বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভোক্তা অধিকারবিরোধী অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে মোট ৭টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী- পঁচাবাসী খাবার সংরক্ষণ এবং অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে মিষ্টি তৈরির অপরাধে হাজী সুইটসকে ৫০,০০০ টাকা, একই অপরাধে নবাবী হোটেলকে ১৫,০০০ টাকা এবং রিজিক হোটেলকে ৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ সস ব্যবহারের দায়ে খাওয়া দাওয়া হোটেলকে ৩০,০০০ টাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রয়ের জন্য সংরক্ষণ করায় মিডওয়ে ফার্মেসিকে ১০,০০০ টাকা, ডেঙ্গু পরীক্ষায় নির্ধারিত ফি’র চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অপরাধে হাজীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালকে ৮,০০০ টাকা এবং মিথ্যা ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করার অপরাধে দেশ ফার্মেসিকে ৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান জরিমানার আদেশ প্রদান করেন। অভিযানের সময় জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহ স্বেচ্ছায় পরিশোধ করে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন তারা।
অভিযানের অংশ হিসেবে নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রমের আওতায় অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও পরিদর্শন করা হয়। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভোক্তা অধিকার সংক্রান্ত লিফলেট ও পাম্পলেট বিতরণ করা হয়।
অভিযানে জেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর মোঃ নজরুল ইসলাম, হাজীগঞ্জ উপজেলার স্যানেটারি ইন্সপেক্টর মোঃ জসিম উদ্দিন এবং যৌথ বাহিনীর একটি টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় ও জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।























