ঢাকা , বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিদ্ধিরগঞ্জে রাতভর পুলিশি অভিযান, ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ১০ সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক হলেন আলহাজ্ব মো.খসরুল আলম হাসিনা-কামালের সাজা বাড়াতে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের শুনানি আজ আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার বিষয় আইনগতভাবে দেখা হবে: মির্জা ফখরুল ভারতের রেকর্ড হার, দক্ষিণ আফ্রিকার বড় জয় ২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান ও বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা দিলেন সৈয়দ মাহমুদ শাহ – রাস্তাঘাট সংস্কার, ২০০০ গাছ রোপণ ও মিঠানিয়া খাল পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী কে টাঙ্গাইল বার সমিতির পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানালো অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা বাংলাকে ধারণ করতে হলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না: বিদ্যুৎমন্ত্রী ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চ বা এর দুই-একদিন আগে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিদ্ধিরগঞ্জে রাতভর পুলিশি অভিযান, ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ১০

তুষার খান, নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় অপরাধ দমনে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাতে থানার বিভিন্ন স্থানে একযোগে অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষণ, মাদক, দস্যুতা, চুরি ও আদালতের পরোয়ানাভুক্তসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

অভিযানের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত সাফল্য একটি ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মো. হুমায়ূন কবির ২৫ কে গ্রেপ্তার করা। তিনি পটুয়াখালীর মহিপুর থানার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কদমতলী নয়াপাড়া এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
মাদকবিরোধী অভিযানে মিজমিজি কান্দাপাড়া এলাকা থেকে ৫০ পুরিয়া হেরোইনসহ ইয়াসিন রহমান আরমান ওরফে রাজ ২২ এবং মো. সবুজ ২৭ কে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া গোদনাইল বার্মাশীল এলাকা থেকে ১০ পিস ইয়াবাসহ মো. আরাফাত হোসেন ৪০ নামে আরেক মাদক বিক্রেতাকে আটক করা হয়েছে।
দস্যুতা মামলায় অভিযুক্ত মিতুল হোসেন ২১ কে গ্রেপ্তার করা হয়। চুরির মামলায় মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী এলাকার এস এম মামুন ৫২, সবুজ মোল্লা ৩৫ এবং কাশেম ঢালী ৪৮ কে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি আদালতের সিআর পরোয়ানাভুক্ত আরও দুই আসামিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, এলাকাকে নিরাপদ রাখতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে পুলিশ। মাদক কারবারি ও নারী নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৫৩২ Time View

সিদ্ধিরগঞ্জে রাতভর পুলিশি অভিযান, ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ১০

আপডেটের সময় : ০৪:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় অপরাধ দমনে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাতে থানার বিভিন্ন স্থানে একযোগে অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষণ, মাদক, দস্যুতা, চুরি ও আদালতের পরোয়ানাভুক্তসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

অভিযানের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত সাফল্য একটি ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মো. হুমায়ূন কবির ২৫ কে গ্রেপ্তার করা। তিনি পটুয়াখালীর মহিপুর থানার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কদমতলী নয়াপাড়া এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
মাদকবিরোধী অভিযানে মিজমিজি কান্দাপাড়া এলাকা থেকে ৫০ পুরিয়া হেরোইনসহ ইয়াসিন রহমান আরমান ওরফে রাজ ২২ এবং মো. সবুজ ২৭ কে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া গোদনাইল বার্মাশীল এলাকা থেকে ১০ পিস ইয়াবাসহ মো. আরাফাত হোসেন ৪০ নামে আরেক মাদক বিক্রেতাকে আটক করা হয়েছে।
দস্যুতা মামলায় অভিযুক্ত মিতুল হোসেন ২১ কে গ্রেপ্তার করা হয়। চুরির মামলায় মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী এলাকার এস এম মামুন ৫২, সবুজ মোল্লা ৩৫ এবং কাশেম ঢালী ৪৮ কে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি আদালতের সিআর পরোয়ানাভুক্ত আরও দুই আসামিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, এলাকাকে নিরাপদ রাখতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে পুলিশ। মাদক কারবারি ও নারী নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।