ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
যাকাতভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থার অনন্য দৃষ্টান্ত: ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন এর জীবিকা চাঁদপুর প্রকল্পের ৫ম পর্যায়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আজ এসিল্যান্ডসহ কোনো কর্মীর ‘দেখা পাননি’ সচিব, ৮ জনকে শোকজ হিউম্যান রাইটস এলাইভ বরিশাল জেলা শাখার উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে উপজেলার নাম পরিবর্তন না করায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ আশুলিয়ায় গভীররাতে দোকানসহ বাসাবাড়িতে আগুন সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী এনসিটিবির বই ছাপানোয় সিন্ডিকেট, সময়ক্ষেপণ ও কৃত্রিম সংকট: শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্পন্ন বই পৌঁছানো নিয়ে শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরা ঘিরে বিমানবন্দরে শোডাউন নয়

গাছ না কেটে মেরিন ড্রাইভ সড়ক প্রশস্তকরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক

গাছ না কেটে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক প্রশস্তকরণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তার এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় তিন হাজার গাছ রক্ষা পেয়েছে বলে জানিয়েছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে দ্রুত উদ্যোগ নেয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২১ এপ্রিল সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলমন্ত্রী রবিউল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম এবং রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব মেরিন ড্রাইভ এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীরাও উপস্থিত ছিলেন।

কলাতলী থেকে টেকনাফের সাবরাং জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়ককে চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। শুরুতে সড়ক প্রশস্ত করতে বিপুলসংখ্যক গাছ কাটার পরিকল্পনা থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তা পরিবর্তন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, অতীতে সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে গাছ কেটে পরিবেশের ক্ষতি হলেও এবার সেই ধারা থেকে সরে এসে পরিবেশ সংরক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। গাছ কাটার সম্ভাবনার খবর পাওয়ার পরই প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন এবং গাছ না কেটেই কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন।

পরবর্তীতে সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের সঙ্গে বৈঠক করে বিকল্প পরিকল্পনায় কাজ শুরু করেন। এর ফলে গাছ সংরক্ষণ করেই সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, শুধু বিদ্যমান গাছ রক্ষা নয়, পুরো মেরিন ড্রাইভকে আরও নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব করতে সড়কের দুই পাশে নতুন গাছ লাগানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৬ ও ১৭ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন। এতে রাস্তা প্রশস্তকরণের পাশাপাশি রেজু খালের ওপর ৩০৫ মিটার দীর্ঘ দুই লেনের সেতু নির্মাণ, আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল, সিসি ব্লক স্থাপন এবং বিভিন্ন ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

২০২৬ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৩:২১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
৫৮৮ Time View

গাছ না কেটে মেরিন ড্রাইভ সড়ক প্রশস্তকরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেটের সময় : ০৩:২১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

গাছ না কেটে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক প্রশস্তকরণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তার এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় তিন হাজার গাছ রক্ষা পেয়েছে বলে জানিয়েছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে দ্রুত উদ্যোগ নেয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২১ এপ্রিল সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলমন্ত্রী রবিউল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম এবং রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব মেরিন ড্রাইভ এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীরাও উপস্থিত ছিলেন।

কলাতলী থেকে টেকনাফের সাবরাং জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়ককে চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। শুরুতে সড়ক প্রশস্ত করতে বিপুলসংখ্যক গাছ কাটার পরিকল্পনা থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তা পরিবর্তন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, অতীতে সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে গাছ কেটে পরিবেশের ক্ষতি হলেও এবার সেই ধারা থেকে সরে এসে পরিবেশ সংরক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। গাছ কাটার সম্ভাবনার খবর পাওয়ার পরই প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন এবং গাছ না কেটেই কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন।

পরবর্তীতে সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের সঙ্গে বৈঠক করে বিকল্প পরিকল্পনায় কাজ শুরু করেন। এর ফলে গাছ সংরক্ষণ করেই সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, শুধু বিদ্যমান গাছ রক্ষা নয়, পুরো মেরিন ড্রাইভকে আরও নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব করতে সড়কের দুই পাশে নতুন গাছ লাগানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৬ ও ১৭ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন। এতে রাস্তা প্রশস্তকরণের পাশাপাশি রেজু খালের ওপর ৩০৫ মিটার দীর্ঘ দুই লেনের সেতু নির্মাণ, আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল, সিসি ব্লক স্থাপন এবং বিভিন্ন ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

২০২৬ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে থাকবে।