ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৩৬ দিন পর চুয়েটে ক্লাস শুরু পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ভাঙচুর সাফের টিকিটের দাম সর্বনিম্ন ১ হাজার টাকা, সমালোচনায় সমর্থক ও সাবেকরা আইফোনের জন্য বন্ধুকে গলা কেটে হত্যা বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কায় নিহত ৩, আহত ১৫ ‘শক্তিশালী নতুন জাতীয় সরকার’ গঠনের ঘোষণা নেতানিয়াহুর রোজার আগেই সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব ৭ নভেম্বর বন্ধ থাকবে দেশের সব ব্যাংক ইহুদিদের ভোট দিতে দিচ্ছেন তাগাদা/ভোটকেন্দ্রে আরব ভোটারদের উপস্থিতি বেশি, ভীত নেতানিয়াহু ও তার মিত্ররা

সাফের টিকিটের দাম সর্বনিম্ন ১ হাজার টাকা, সমালোচনায় সমর্থক ও সাবেকরা

সাংবাদিক

৫ নভেম্বর থেকে ঢাকায় শুরু হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ। সাফে হামজা-জামালদের ম্যাচ দেখতে সমর্থকদের ন্যূনতম এক হাজার টাকা গুণতে হবে সাধারণ গ্যালারির জন্য। ক্লাব হাউজ, ভিআইপি, রেড বক্সের দাম আরও কয়েকগুণ। সাধারণ গ্যালারির টিকিটের দাম এক হাজার টাকা হওয়ায় সমর্থক ও সাবেক ফুটবলাররা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলি নিজে একাধিক সাফ খেলেছেন। তার দৃষ্টিতে এক হাজার টিকিটের মূল্য হওয়া বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত বেশি,‘বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা ও ফুটবলপ্রেমীদের আনুষাঙ্গিক ব্যয় বিবেচনা করে কখনোই এক হাজার টাকা টিকিট বাস্তবসম্মত নয়। গতকাল থেকে আমাকে অনেকেই টিকিট নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক হাজার টাকা টিকিটের মূল্য অত্যধিক।’

গতকাল বাফুফে ভবন প্রাঙ্গনে সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষত্তোম ক্যাটেল এই বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। এক টিকিটে দুই ম্যাচ ও মার্কেটিং কোম্পানির নানা দিক বিবেচনা করে এটা করা হয়েছে।

সাফের সাধারণ সম্পাদকের ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নন এমিলি,‘বাংলাদেশের ম্যাচই মূলত দর্শক হবে। অন্য ম্যাচগুলোতে গ্যালারি ভরবে না। এক ম্যাচ থেকে আরেক ম্যাচের ব্যবধান আড়াই ঘণ্টা। এতক্ষণ মানুষ কি করবে? এক হাজার টাকার পরিবর্তে ৫০০ কিংবা ৬০০ টাকা হলে বিষয়টি যৌক্তিক হতো।’

ফুটবলের প্রাণ সমর্থকরা। গত কয়েক বছরে সমর্থকদের বেশ কয়েকটি গ্রুপ হয়েছে। প্রায় সকল গ্রুপই এত উচ্চ মূল্যের টিকিটের জন্য তীব্র সমালোচনা চলছে। কয়েকটি গ্রুপ সাফের টিকিটের মূল্য কমানোর দাবি জানিয়েছে। সাফ এই দাবি না মানলে তারা বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ৯ গোল হজম করেছে। ফুটবলারদের শৃঙ্খলা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এরপরও সমর্থকরা গ্যালারিতে বসে বাংলাদেশের জন্য চিৎকার করতে চান। সাফের মূল্য এখন তাদের সেই স্বপ্ন পূরণে বাধা হয়েছে।

হামজা আসার পরই বাংলাদেশের হোম ম্যাচের টিকিটের চাহিদা বেড়েছে বহুগুণে। সিঙ্গাপুর-ভারত-হংকং এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তিন ম্যাচেই বাফুফে ৪০০ টাকা সাধারণ গ্যালারি টিকিটের দাম রেখেছিল। এবার সেই দাম দ্বিগুণেরও বেশি। বাফুফের কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান গোলাম গাউস বলেন, ‘এটা অবশ্যই দাম বেশি। কিন্তু এখানে বাফুফের কিছু করার ছিল না। সাফই টিকিটের দাম নির্ধারণ করেছে। আমাদের কাছে প্রস্তাব বা মতামতও চায়নি।’

বাফুফের সাথে সাফের গত কয়েক মাস ধরে নানা বিষয় দর কষাকষি হয়েছে। টিকিটিং,স্টেডিয়াম নিরাপত্তাসহ আরও অনেক ইস্যু। শেষ পর্যন্ত বাফুফে ৫০ লাখ টাকা পাবে এবং বাকি সব খরচ সাফ বহন করবে এমন একটা আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে সাফ মার্কেটিং পার্টনারের মতামতের ভিত্তিতে টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করেছে।

সাফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ১৬ বছর বাফুফে সভাপতি ছিলেন। ২০০৯ সাল থেকে তিনি সাফের সভাপতি। ২০০৯ ও ২০১৮ সালে ঢাকায় সাফ টুর্নামেন্ট হয়েছে। দুই বারই সালাউদ্দিন বাফুফে ও সাফ সভাপতি ছিলেন। তখন সাধারণ টিকিটের গ্যালারী ছিল ৫০ টাকার মধ্যেই। এবার সেটা বেড়ে এক লাফে ১ হাজার কেন ? এই বিষয়ে সালাউদ্দিন বলেন,‘সাফের নিয়মিত মার্কেটিং পার্টনার স্পোর্টস ফাইভের সাথে চুক্তি নেই। আন্তর্জাতিক স্পন্সর পেতে সময় লাগছে। এই টুর্নামেন্টের জন্য মার্কেটিং পার্টনার (টিএসএ) নেয়া হয়েছে। বাফুফের রয়্যালিটি, স্টেডিয়াম ব্যবস্থাপনা, ভিএআর, দলগুলো-রেফারিদের আসা-যাওয়া মিলিয়ে অনেক ব্যয় হচ্ছে তাদের। সেই ব্যয় পুষানোর জন্য তারা এই দাম নির্ধারণ করেছে।’

টিকিটের দাম অতিরিক্ত হওয়ায় অনেক ফুটবলপ্রেমী ম্যাচ বয়কটের পরিকল্পনা করছেন। ব্যয় পোষাতে কিংবা লাভের আশায় এক হাজার টাকা টিকিটের দাম রাখা হয়েছে। এতে গ্যালারি শূন্য বা কম ভর্তি হলে মার্কেটিং কোম্পানিরই ক্ষতি হবে। এর চেয়ে ৫০০ কিংবা ৬০০ হলে গ্যালারি ভর্তি থাকলেই লাভ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এ নিয়ে সালাউদ্দিনের বক্তব্য,‘এত ব্যয়ের পর তাদের রিটার্ন উঠানো বাস্তবিকভাবেই কঠিন। সাফের দৃষ্টিকোণ থেকে টুর্নামেন্টটি তিন বছর পর আয়োজন হতে যাচ্ছে এবং সফলভাবে হওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।’

সাফ বিগত সময় সিনিয়র পুরুষ চ্যাম্পিয়নশীপ দিয়ে অনেক লাভবান হতো। সেই অর্থ দিয়ে অন্য টুর্নামেন্ট পরিচালনা করত। স্পোর্টস ফাইভ চুক্তি বাতিলের পর টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে শঙ্কায় পড়ে। এরপর বাংলাদেশি মার্কের্টিং কোম্পানি টিএসএ টুর্নামেন্টের স্বত্ত্ব কিনেছে। তারা সাফকে খেলা পরিচালনার জন্য অর্থ দিয়েছে। সেই অর্থ দিয়ে সাফ খেলা পরিচালনার পাশাপাশি বাফুফেকে রয়্যালিটি দেবে। এতে সাফের ফান্ডে শেষ পর্যন্ত কিছু থাকবে না সেই সংশয়ও রয়েছে। মার্কেটিং স্বত্ত্ব নেওয়ায় টুর্নামেন্টের স্পন্সর, টিকিট ও টিভি,গ্রাউন্ডস রাইটস বিক্রি করে আয় করবে টিএসএ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০২:১৩:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
৫০৫ Time View

সাফের টিকিটের দাম সর্বনিম্ন ১ হাজার টাকা, সমালোচনায় সমর্থক ও সাবেকরা

আপডেটের সময় : ০২:১৩:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

৫ নভেম্বর থেকে ঢাকায় শুরু হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ। সাফে হামজা-জামালদের ম্যাচ দেখতে সমর্থকদের ন্যূনতম এক হাজার টাকা গুণতে হবে সাধারণ গ্যালারির জন্য। ক্লাব হাউজ, ভিআইপি, রেড বক্সের দাম আরও কয়েকগুণ। সাধারণ গ্যালারির টিকিটের দাম এক হাজার টাকা হওয়ায় সমর্থক ও সাবেক ফুটবলাররা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলি নিজে একাধিক সাফ খেলেছেন। তার দৃষ্টিতে এক হাজার টিকিটের মূল্য হওয়া বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত বেশি,‘বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা ও ফুটবলপ্রেমীদের আনুষাঙ্গিক ব্যয় বিবেচনা করে কখনোই এক হাজার টাকা টিকিট বাস্তবসম্মত নয়। গতকাল থেকে আমাকে অনেকেই টিকিট নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক হাজার টাকা টিকিটের মূল্য অত্যধিক।’

গতকাল বাফুফে ভবন প্রাঙ্গনে সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষত্তোম ক্যাটেল এই বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। এক টিকিটে দুই ম্যাচ ও মার্কেটিং কোম্পানির নানা দিক বিবেচনা করে এটা করা হয়েছে।

সাফের সাধারণ সম্পাদকের ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নন এমিলি,‘বাংলাদেশের ম্যাচই মূলত দর্শক হবে। অন্য ম্যাচগুলোতে গ্যালারি ভরবে না। এক ম্যাচ থেকে আরেক ম্যাচের ব্যবধান আড়াই ঘণ্টা। এতক্ষণ মানুষ কি করবে? এক হাজার টাকার পরিবর্তে ৫০০ কিংবা ৬০০ টাকা হলে বিষয়টি যৌক্তিক হতো।’

ফুটবলের প্রাণ সমর্থকরা। গত কয়েক বছরে সমর্থকদের বেশ কয়েকটি গ্রুপ হয়েছে। প্রায় সকল গ্রুপই এত উচ্চ মূল্যের টিকিটের জন্য তীব্র সমালোচনা চলছে। কয়েকটি গ্রুপ সাফের টিকিটের মূল্য কমানোর দাবি জানিয়েছে। সাফ এই দাবি না মানলে তারা বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ৯ গোল হজম করেছে। ফুটবলারদের শৃঙ্খলা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এরপরও সমর্থকরা গ্যালারিতে বসে বাংলাদেশের জন্য চিৎকার করতে চান। সাফের মূল্য এখন তাদের সেই স্বপ্ন পূরণে বাধা হয়েছে।

হামজা আসার পরই বাংলাদেশের হোম ম্যাচের টিকিটের চাহিদা বেড়েছে বহুগুণে। সিঙ্গাপুর-ভারত-হংকং এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তিন ম্যাচেই বাফুফে ৪০০ টাকা সাধারণ গ্যালারি টিকিটের দাম রেখেছিল। এবার সেই দাম দ্বিগুণেরও বেশি। বাফুফের কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান গোলাম গাউস বলেন, ‘এটা অবশ্যই দাম বেশি। কিন্তু এখানে বাফুফের কিছু করার ছিল না। সাফই টিকিটের দাম নির্ধারণ করেছে। আমাদের কাছে প্রস্তাব বা মতামতও চায়নি।’

বাফুফের সাথে সাফের গত কয়েক মাস ধরে নানা বিষয় দর কষাকষি হয়েছে। টিকিটিং,স্টেডিয়াম নিরাপত্তাসহ আরও অনেক ইস্যু। শেষ পর্যন্ত বাফুফে ৫০ লাখ টাকা পাবে এবং বাকি সব খরচ সাফ বহন করবে এমন একটা আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে সাফ মার্কেটিং পার্টনারের মতামতের ভিত্তিতে টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করেছে।

সাফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ১৬ বছর বাফুফে সভাপতি ছিলেন। ২০০৯ সাল থেকে তিনি সাফের সভাপতি। ২০০৯ ও ২০১৮ সালে ঢাকায় সাফ টুর্নামেন্ট হয়েছে। দুই বারই সালাউদ্দিন বাফুফে ও সাফ সভাপতি ছিলেন। তখন সাধারণ টিকিটের গ্যালারী ছিল ৫০ টাকার মধ্যেই। এবার সেটা বেড়ে এক লাফে ১ হাজার কেন ? এই বিষয়ে সালাউদ্দিন বলেন,‘সাফের নিয়মিত মার্কেটিং পার্টনার স্পোর্টস ফাইভের সাথে চুক্তি নেই। আন্তর্জাতিক স্পন্সর পেতে সময় লাগছে। এই টুর্নামেন্টের জন্য মার্কেটিং পার্টনার (টিএসএ) নেয়া হয়েছে। বাফুফের রয়্যালিটি, স্টেডিয়াম ব্যবস্থাপনা, ভিএআর, দলগুলো-রেফারিদের আসা-যাওয়া মিলিয়ে অনেক ব্যয় হচ্ছে তাদের। সেই ব্যয় পুষানোর জন্য তারা এই দাম নির্ধারণ করেছে।’

টিকিটের দাম অতিরিক্ত হওয়ায় অনেক ফুটবলপ্রেমী ম্যাচ বয়কটের পরিকল্পনা করছেন। ব্যয় পোষাতে কিংবা লাভের আশায় এক হাজার টাকা টিকিটের দাম রাখা হয়েছে। এতে গ্যালারি শূন্য বা কম ভর্তি হলে মার্কেটিং কোম্পানিরই ক্ষতি হবে। এর চেয়ে ৫০০ কিংবা ৬০০ হলে গ্যালারি ভর্তি থাকলেই লাভ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এ নিয়ে সালাউদ্দিনের বক্তব্য,‘এত ব্যয়ের পর তাদের রিটার্ন উঠানো বাস্তবিকভাবেই কঠিন। সাফের দৃষ্টিকোণ থেকে টুর্নামেন্টটি তিন বছর পর আয়োজন হতে যাচ্ছে এবং সফলভাবে হওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।’

সাফ বিগত সময় সিনিয়র পুরুষ চ্যাম্পিয়নশীপ দিয়ে অনেক লাভবান হতো। সেই অর্থ দিয়ে অন্য টুর্নামেন্ট পরিচালনা করত। স্পোর্টস ফাইভ চুক্তি বাতিলের পর টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে শঙ্কায় পড়ে। এরপর বাংলাদেশি মার্কের্টিং কোম্পানি টিএসএ টুর্নামেন্টের স্বত্ত্ব কিনেছে। তারা সাফকে খেলা পরিচালনার জন্য অর্থ দিয়েছে। সেই অর্থ দিয়ে সাফ খেলা পরিচালনার পাশাপাশি বাফুফেকে রয়্যালিটি দেবে। এতে সাফের ফান্ডে শেষ পর্যন্ত কিছু থাকবে না সেই সংশয়ও রয়েছে। মার্কেটিং স্বত্ত্ব নেওয়ায় টুর্নামেন্টের স্পন্সর, টিকিট ও টিভি,গ্রাউন্ডস রাইটস বিক্রি করে আয় করবে টিএসএ।