ঢাকা , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চাটমোহরে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে জমি দখল: প্রতিবাদ করায় বড় ভাইয়ের পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ কড়া নিরাপত্তায় পশ্চিমবঙ্গের ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে “সাভারের সিএন্ডবি আবাসিকে সরকারি সম্পদের মহালুট: গ্যাস লাইন থেকে গাছ—সবই বিক্রির হাটে!” ধান-চালের সরকারি দাম নির্ধারণ পরিবহণের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার: মন্ত্রী প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: মাহদী আমিন এসএসসির প্রথম দিনেই ভুল প্রশ্নপত্র, সাংবাদিকদের সঙ্গে কেন্দ্র সচিবের অসৌজন্যমূলক আচরণ খেপুপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়- এ কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগে শোকজ সোলায়মান হক জোয়ারদারের সময়কার প্রভাবের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গায় চিকিৎসক দম্পতিকে ঘিরে বিতর্ক এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু

দীপু মনির নির্দেশই সব কাজ হয়েছে, আমি দায়ী নই— আদালতকে কলিমুল্লাহ

সাংবাদিক
দুর্নীতির মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক উপাচার্য (ভিসি) ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া এই নির্দেশ দেন।

কলিমুল্লাহকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।

রিমান্ডের আবেদনে বলা হয়, কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এই দুর্নীতির সঙ্গে কারা কারা জড়িত, কাদের নির্দেশে তিনি দুর্নীতি করেছেন, তা উদ্ঘাটনের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এ সময় কলিমুল্লাহর পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

এ সময় আদালত বলেন, ‘আপনার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ। আপনি কেন এসব কাজে জড়িত হলেন?’ জবাবে কলিমুল্লাহ বলেন, ‘সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির নির্দেশ অনুযায়ী বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নয়নকাজ হয়েছে। তাঁর নির্দেশেই সব কাজ হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমি দায়ী নই।’

পরে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে দুদকের বিশেষ পিপি তরিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেন।

৭ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে পুলিশ ড. কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। দুদক তাঁকে আদালতে হাজির করলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত ১৮ জুন বেরোবির একটি বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে কলিমুল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ‘অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ’ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) উপেক্ষা করে প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন করেছেন।

সূত্রঃ আজকের পত্রিকা

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:০৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
৮৫১ Time View

দীপু মনির নির্দেশই সব কাজ হয়েছে, আমি দায়ী নই— আদালতকে কলিমুল্লাহ

আপডেটের সময় : ০৫:০৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
দুর্নীতির মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক উপাচার্য (ভিসি) ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া এই নির্দেশ দেন।

কলিমুল্লাহকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।

রিমান্ডের আবেদনে বলা হয়, কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এই দুর্নীতির সঙ্গে কারা কারা জড়িত, কাদের নির্দেশে তিনি দুর্নীতি করেছেন, তা উদ্ঘাটনের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এ সময় কলিমুল্লাহর পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

এ সময় আদালত বলেন, ‘আপনার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ। আপনি কেন এসব কাজে জড়িত হলেন?’ জবাবে কলিমুল্লাহ বলেন, ‘সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির নির্দেশ অনুযায়ী বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নয়নকাজ হয়েছে। তাঁর নির্দেশেই সব কাজ হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমি দায়ী নই।’

পরে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে দুদকের বিশেষ পিপি তরিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেন।

৭ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে পুলিশ ড. কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে। দুদক তাঁকে আদালতে হাজির করলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত ১৮ জুন বেরোবির একটি বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে কলিমুল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ‘অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ’ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) উপেক্ষা করে প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন করেছেন।

সূত্রঃ আজকের পত্রিকা