05 December, 2020
শিরোনাম

মানিকগঞ্জে পৌর নির্বাচনে সর্বত্রই আলোচনায় আপেল

 08 Nov, 2020   41 বার দেখা হয়েছে

 নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রিন্ট

পৌর নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। মানিকগঞ্জের পৌর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ঢেউ উঠেছে । এরই মধ্যে বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ। পৌরবাসীর কাছে আগে থেকেই পরিচিত মুখ আলহাজ্ব সুলতানুল আজম খান আপেল। জনপ্রতিনিধি না হয়েও একজন জনহিতৈষী নেতা হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন নিজেকে। আসন্ন পৌর নির্বাচনে পৌর মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শুধু পৌরবাসীদের নিয়ে নয় সমগ্র মানিকগঞ্জের অসহায় মানুষের পাশে তাদের দুর্দিনে সহায় হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। পৌরবাসীর নাগরিক সুবিধা আদায়ে তিনি অনড় বলে দাবি স্থানীয় নেতা কর্মীদের। নাগরিক পছন্দের তালিকায় নৌকার প্রার্থী হিসেবে তিনিই এগিয়ে। বিভিন্ন সংস্থার জরিপেও স্বচ্ছ ও জনগণের পছন্দের প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রয়েছেন তিনি।

তাকে ছাড়া অন্য কাউকে নৌকার প্রার্থী করা হলে নিশ্চিত পরাজয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান স্থানীয় নেতাকর্মীরা। পূর্বের নির্বাচনই তার উদারহণ। ৯টি ওয়ার্ড ও ৭৫টি মহল্লা নিয়ে গঠিত মানিকগঞ্জ পৌরসভা। দুই যুগ ধরে প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও নাগরিক সেবা ও জীবন-মানের তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি এখানে। অতীতের ২ জন মেয়রের বিভিন্ন দুর্নীতি ও নিজেদের আঁখের গোছাতে ব্যস্ত পৌর পিতাদের কারনে নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত পৌরবাসী। পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হিসেবে প্রধানত আলোচনায় তিন জন ।

এদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সুলতানুল আজম খান আপেল, মানিকগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. রমজান আলী ও নৌকাকে পরাজিত করে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হওয়া বর্তমান মেয়র গাজী কামরুল হুদা সেলিম। তবে সাবেক মেয়র রমজান আলী মেয়র থাকাকালীন পৌরবাসীর জন্য তেমন কোন দৃশ্যমান উন্নয়ন করতে না পারায় ২০১৬ সালের পৌর নির্বাচনে নৌকার ভরাডুবি হয়। নেতাকর্মীদের দাবি পৌর মেয়র থাকাকালীণ তার সীমাহীন দুর্নীতিই নৌকাকে পরাজিত করে। সেদিক থেকে রমজান আলীর দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। অন্যদিকে বর্তমান মেয়র ও আ'লীগ থেকে বিদ্রোহ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে দলীয় পদ হারানো গাজী কামরুল হুদা সেলিম পৌরবাসীকে বিভিন্ন উন্নয়নের স্বপ্ন দেখিয়ে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হওয়ার কারনে পৌরবাসীদের মধ্যে তাঁর প্রতি বিরূপ ধারণার সৃষ্টি হয়েছে। হ্যালোবাইক নিয়োগ বাণিজ্য টেন্ডারবাজিসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে অনিয়ম ও পারিবারিক করণ, নিরবিচ্ছিন্ন পানি বিদ্যুৎ গ্যাস সরবরাহে ব্যর্থতা, রাস্তা ঘাটের কাঙ্ক্ষিত উন্নতি না হওয়ায় তাঁর জনপ্রিয়তা বর্তমানে প্রশ্নবিদ্ধ। দলীও সিদ্ধান্ত না মানা এবং দুর্নীতির কারণে আ'লীগ থেকে মনোনয় পাওয়া তাঁর জন্য প্রায় অসম্ভব বলে মত জেলা আওয়ামীলীগের একাধিক নেতাকর্মীদের

আলহাজ্ব সুলতানুল আজম আপেল নির্বাচিত কোন প্রতিনিধি না হয়েও পৌরবাসী তথা মানিকগঞ্জবাসীর দুর্দিনে বিভিন্ন সহযোগিতা নিয়ে যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁর এই ক্রিয়াকলাপই পৌর মেয়র প্রার্থী হিসেবে তাকে নৌকা প্রতিকে মনোনয়ন দিতে জেলার শীর্ষ নেতাদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে। বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে এই মনোনয়ন প্রত্যাশী জানান, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলের উর্ধ্বতন নেতাকর্মীদের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমার কর্ম আমাকে যোগ্যতার আসনে নিয়ে যাবে সেটা আমার বিশ্বাস।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আমাকে আমার যোগ্য সম্মান দেবেন যা আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। উল্লেখ্য, নির্বাচিত হলে পৌর এলাকার সকল কাঁচা মেঝের টিনের আবাসিক ঘরের পৌরকর মওকুফ করা, ফি ছাড়া রিকশা ও ভ্যান গাড়ির লাইসেন্স নবায়ন, সাংবাদিকদের জন্য আবাসিক আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহারের জন্য জমি বরাদ্দ দেয়া, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করবেন উল্লেখ করে ২২ দফা কর্ম পরিকল্পনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন আলহাজ্ব সুলতানুল আজম আপেল ।

সম্পর্কিত খবর
সব খবর
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | বাংলা৫২নিউজ.কম
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি এবং অপরাধ