26 November, 2020
শিরোনাম

ভিকারুননিসায় খাতা টেম্পারিংয়ের ঘটনা তদন্ত হচ্ছে

 10 Nov, 2020   28 বার দেখা হয়েছে

 নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রিন্ট

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে নিয়োগ দিতে পরীক্ষার খাতা টেম্পারিং করার বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করবে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের তদন্ত কমিটি।  কমিটির আহ্বায়ক অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন ও আইসিটি) এ কে এম মাসুদুজ্জামান মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) ঘটনাটি তদন্তের বিষয়ে অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছেন।  

 

এ কে এম মাসুদুজ্জামানের সই করা চিঠিতে নিয়োগ পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে বলা হয়,  ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে গত ৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন কার্যক্রমে সংঘটিত অনিয়মের বিষয়ে আগামী বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) সকাল ১০টায় তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হবে। খাতা মূল্যায়নের সব সদস্য ও সে সময় উপস্থিত নিয়োগ কমিটির সস্যদের ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে হাজির করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

অধ্যক্ষকে দেওয়া চিঠিতে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (উন্নয়ন) মো. মাজহারুল ইসলাম, গভর্নিং বডির সদস্য এ বি এম মনিরুজ্জামান (অভিভাবক প্রতিনিধি), মুর্শিদা আখতার (অভিভাবক প্রতিনিধি),  ওহেদুজ্জামান মন্টু (অভিভাবক প্রতিনিধি,) গোলাম বেনজীর (অভিভাবক প্রতিনিধি), অ্যাডভোকেট রীনা পারভিন (সংরক্ষিত অভিভাবক প্রতিনিধি) এবং অভিযুক্ত শিক্ষক ফাতেমা জোহরা হককে (শিক্ষক প্রতিনিধি) অবহিত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।

 

এর আগে মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) বিকালে অভিভাবক ফেরামের সভাপতি আব্দুর রহিম হাওয়লাদার (রানা) এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ সুজন অভিভাবকদের পক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে লিখিত আবেদন দিয়ে মন্ত্রণালয়কে ঘটনাটি তদন্তের দাবি জানান।  লিখিত আবেদনে টেম্পারিংয়ের জন্য অভিভাবক ফোরাম অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফওজিয়া রেজওয়ানকেও  দায়ী করেছে।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার (৭ নভেম্বর) ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের সময় দুই জন প্রার্থীর নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে শিক্ষক প্রতিনিধি ফাতেমা জোহরা হক এক প্রার্থীর নম্বর বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে প্রমাণ পান গভর্নিং বডির সভাপতি ও ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারের প্রতিনিধি সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. মাজহারুল ইসলাম। পরের দিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও গভর্নিং বডির সভায় মৌখিক পরীক্ষা বাতিল করা হয়।বাংলা ট্রিবিউন

সম্পর্কিত খবর
সব খবর
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | বাংলা৫২নিউজ.কম
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি এবং অপরাধ