13 April, 2021
শিরোনাম

করোনাভাইরাস যেহেতু পারে নাই আর কেউ পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

 04 Mar, 2021   104 বার দেখা হয়েছে

 নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রিন্ট

করোনাভাইরাসেও বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা থামেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আর কেউ এ অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না। 

প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ, জাতীয় বিজ্ঞানও প্রযুক্তি ফেলোশিপ এবং বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে সেই অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না। আর করোনাভাইরাস যেহেতু পারে নাই সেটা আর কেউ পারবে না, এটাই আমার বিশ্বাস।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা মাটি ও মানুষ নিয়েই একদিন যুদ্ধবিধ্বস্থ দেশ পুনর্গঠনের কাজ হাতে নিয়েছিলেন। তাই আমরা মনে করি এখন এটা আমাদের দায়িত্ব। তিনি স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে দেশকে রেখে গিয়েছিলেন সেখান থেকে আমরা উন্নয়নশীল দেশের কাতারে শামিল হয়েছি এবং ভবিষ্যতে উন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করব, ইনশাআল্লাহ।

 

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেনসে রাজধানীর ওসমানী ম্মৃৃতি মিলনায়তনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

আমাদের কৃষিনির্ভর অর্থনীতির যান্ত্রিকীকরণের প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের জায়গা কম হলেও সেই জায়গার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমেই আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছি। কাজেই সেটা মাথায় রেখেই গবেষণায় আরো জোর দিতে হবে। যাতে বাংলাদেশ জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ হিসেবেই গড়ে উঠতে পারে, সেটাই আমরা চাই।

শেখ হাসিনা বলেন, ’৭৫ পরবর্তী সামরিক স্বৈরশাসকরা দেশের উন্নয়ন না করে নিজেদের ভাগ্যেন্নয়নেই বেশী ব্যস্ত ছিল। আমরা দেখেছি তারা মেধাবী ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছিল। সেজন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বোমাবাজী, সেশন জট, আর অস্ত্রের ঝনঝনানিই পরিলক্ষিত হয়। তবে, আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর থেকে এ বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিয়ে সারাদেশে শিক্ষার অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছি।

করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় এক বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘এটা মানুষের জীবনকে সুরক্ষিত করার জন্যই করা হয়েছিল। তবে ইতিমধ্যে টিকা দান কর্মসূচি শুরু হয়েছে এবং সেক্ষেত্রে শিক্ষক এবং কর্মচারিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।’

টিকা দেওয়া পর্ব শেষ হলেই মার্চ মাসের শেষের দিকে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেবে বলেও তিনি জানান। অতীতে শিক্ষার্থীরা দেশে বিজ্ঞান পড়ার ওপর আগ্রহ হারিয়ে ফেললে তার সরকারই প্রথম দেশে ১২টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আমাদের অগ্রগতি সাধণের একটা উপায়।’

সম্পর্কিত খবর
সব খবর
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | বাংলা৫২নিউজ.কম
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি এবং অপরাধ