26 September, 2021
শিরোনাম

"বাংলাদেশের পরম বন্ধু ছাত্রলীগ ও চরম শত্রু উগ্রবাদী সাম্প্রদায়িক অপশক্তি-রাফসান জানি রাহাত

 13 Apr, 2021   393 বার দেখা হয়েছে

 নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রিন্ট

বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন অধিকার সংক্রান্ত আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, শিক্ষার অধিকার, বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, গণঅভ্যুত্থান, স্বাধীনতা ও স্বাধিকার আন্দোলন। মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার পর এ সংগঠনটি বিএল‌এফ (মুজিব বাহিনী ) গঠনের মাধ্যমে সারাদেশে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুধুমাত্র স্বাধীনতা যুদ্ধেই এ সংগঠনটির ১৭০০০ কর্মী শহীদ হয় যা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। এছাড়াও ১৯৮৮ সালের বন্যায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তিনবেলা রুটি তৈরি করে অসহায় মানুষদের বিতরণ,১৯৯৮ সালের বন্যায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল সংগঠনটি। এরশাদ পতন আন্দোলন থেকে ২০০৭ সালে সেনাশাসিত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। কোভিড হানা দিলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ যেন পরম বন্ধু হয়ে দাঁড়িয়েছিল দেশের মানুষের পাশে। ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে কৃষকের ধান কাটা, সামাজিক সচেতনতা ,হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ থেকে শুরু করে অক্সিজেন সরবরাহ করছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। করোনা আক্রান্ত মৃতদের কবর দেয়া সৎকারের জন্য যখন কাউকে পাওয়া যাচ্ছিলনা তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। জঙ্গিবাদ উগ্রাবাদীদের আগ্রাসন মুক্ত রাখতে দেশের প্রতিটি জেলা প্রতিটি গ্রাম প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিদ্রাহীন প্রহরীর ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। অন্যদিকে বাংলাদেশের চরম শত্রু উগ্রবাদী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর চরিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায় এই উগ্রবাদী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী মুক্তিযুদ্ধের আগে থেকেই এদেশে বিদ্যমান। মুক্তিযুদ্ধের আগে থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ও বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র প্রমাণে তারা সবসময় ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘ রাজাকার বাহিনী ও আলবদর তৈরি করে বাংলাদেশের মানুষের উপর নির্যাতন ধর্ষণ লুটপাট চালায় পাকিস্তানী বাহিনীর সহযোগী হয়ে। বাংলাদেশের অধিকাংশ অল্পশিক্ষিত মানুষের ধর্মভীতীকে পুঁজি করে ধর্ম ব্যবসা চালিয়ে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে তারা সবসময় তৎপর। ৭০ এর নির্বাচনে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষের আওয়ামীলীগকে কাফের ফতোয়া ভারতীয় দালাল বলে অপপ্রচার চালায়। কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় নিশ্চিত পরাজয় জেনে ১৪ ই ডিসেম্বর তারা দেশের মেধাবী সন্তানদের হত্যা করে দেশকে মেধাশূন্য করতে।আজ‌ও তারা থেমে নেই। জামায়াতি ইসলাম শিবির বিএনপি হেফাজত মিলে স্বাধীনতা বিরোধী এ চক্রটি আজ‌ও বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে ষড়যন্ত্র করেই যাচ্ছে। এখনও তারা সাম্প্রদায়িকতা ছড়াচ্ছে আওয়ামীলীগকে কাফের ফতোয়া দিচ্ছে। কিন্তু এখনও মানুষের কল্যাণে তাদের কোন অবদান নেই। বরং উগ্রবাদ ছড়িয়ে পাকিস্তানী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে।তারা নিজেদের স্বার্থে ধর্মীয় ফতোয়া দিচ্ছে মনগড়া। মাদ্রাসার শিশুদের ব্যবহার করে সহিংসতা করছে। বাংলাদেশের মানুষের সচেতন হতে হবে।

৬৪ জেলায় বোমা হামলা দেশজুড়ে জঙ্গিবাদ ধর্মের নামে সহিংসতা ছড়িয়েছে এই বিএনপি জামাত হেফাজত। বাংলাদেশকে আফগানিস্তানের মত ধ্বংসস্তূপে পরিণত করতে চায়। অন্যদিকে বাংলাদেশ যখন‌ই বিপদগ্রস্ত তখন‌ই রক্ত ঘাম জীবন দিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জঙ্গিবাদ মুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।

লেখক: রাফসান জানি রাহাত সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ লালমনিরহাট জেলা শাখা

সম্পর্কিত খবর
সব খবর
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | বাংলা৫২নিউজ.কম
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি এবং অপরাধ