ঢাকা , সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানে গ্রাউস ও ওয়ার্ড ভিশন কর্তৃক দরিদ্র পরিবারের উন্নয়নে বিকাশ এর মাধ্যমে অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে সদর ইউএনও আড়াইহাজারে স্বাধীনতা কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত ইরানে টানা কয়েক সপ্তাহ স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বিকালে বসছে সংসদ অধিবেশন ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ইং উপলক্ষে রিয়াদে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সৌদি প্রবাসীদের মাতালো এনটিভ দর্শক ও সাংস্কৃতিক ফোরাম স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী আর নেই বর্তমান পোশাকে পুলিশ সদস্যরা সন্তুষ্ট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী কোটালীপাড়ায় চিকিৎসাধীন যুবকের ওপর হামলা, অবস্থা আশঙ্কাজনক আমিন বাজার সাদুল্যাপুর ভূমি অফিসে দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও হয়রানির গুরুতর অভিযোগ

ক্ষুদ্রঋণ মডেল জানতে বাংলাদেশ সফরে আগ্রহ জিবুতির প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক

বিশ্ব খাদ্য ফোরামের ফাঁকে ইতালির রোমে অবস্থিত জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সদর দপ্তরে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জিবুতির প্রধানমন্ত্রী আব্দুলকাদির কামিল মোহাম্মদ। সোমবার (১৩ অক্টোবর) এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে ছিল দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জিবুতিতে বাংলাদেশের সফল ক্ষুদ্রঋণ মডেলের অনুসরণ, আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি এবং রোহিঙ্গা সংকট।

বৈঠকে জিবুতির প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ, অধ্যাপক ইউনূসের ভূয়সী প্রশংসা করে তাঁকে জিবুতিতে একটি সুপরিচিত নাম বলে অভিহিত করেন। তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে পূর্ব আফ্রিকার এই দেশটি পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানান। জিবুতিতে ক্ষুদ্রঋণ কৌশল গ্রহণে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে জিবুতির নেতা বলেন, ‘ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ে আমাদের আপনার পরামর্শ প্রয়োজন।’

জবাবে অধ্যাপক ইউনূস এই আগ্রহকে স্বাগত জানান এবং জিবুতিকে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে পাঠানোর পরামর্শ দেন। তাঁর মতে, প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশে এসে এখানকার ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম সরাসরি অভিজ্ঞতা নিতে পারবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনাকারী সংস্থাগুলো সারা বছর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে, যা পরিদর্শক কর্মকর্তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।

অধ্যাপক ইউনূস দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিশাল সম্ভাবনার ওপর জোর দেন। তিনি প্রস্তাব করেন যে, জিবুতি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক ও ওষুধ আমদানি করতে পারে।

এই বৈঠকে জিবুতির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক মন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। তিনি ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে পরামর্শ চান।

বাংলাদেশের পক্ষে খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৪:৫০:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
৭২৬ Time View

ক্ষুদ্রঋণ মডেল জানতে বাংলাদেশ সফরে আগ্রহ জিবুতির প্রধানমন্ত্রীর

আপডেটের সময় : ০৪:৫০:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

বিশ্ব খাদ্য ফোরামের ফাঁকে ইতালির রোমে অবস্থিত জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সদর দপ্তরে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জিবুতির প্রধানমন্ত্রী আব্দুলকাদির কামিল মোহাম্মদ। সোমবার (১৩ অক্টোবর) এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে ছিল দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জিবুতিতে বাংলাদেশের সফল ক্ষুদ্রঋণ মডেলের অনুসরণ, আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি এবং রোহিঙ্গা সংকট।

বৈঠকে জিবুতির প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ, অধ্যাপক ইউনূসের ভূয়সী প্রশংসা করে তাঁকে জিবুতিতে একটি সুপরিচিত নাম বলে অভিহিত করেন। তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে পূর্ব আফ্রিকার এই দেশটি পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানান। জিবুতিতে ক্ষুদ্রঋণ কৌশল গ্রহণে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে জিবুতির নেতা বলেন, ‘ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ে আমাদের আপনার পরামর্শ প্রয়োজন।’

জবাবে অধ্যাপক ইউনূস এই আগ্রহকে স্বাগত জানান এবং জিবুতিকে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে পাঠানোর পরামর্শ দেন। তাঁর মতে, প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশে এসে এখানকার ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম সরাসরি অভিজ্ঞতা নিতে পারবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনাকারী সংস্থাগুলো সারা বছর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে, যা পরিদর্শক কর্মকর্তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।

অধ্যাপক ইউনূস দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিশাল সম্ভাবনার ওপর জোর দেন। তিনি প্রস্তাব করেন যে, জিবুতি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক ও ওষুধ আমদানি করতে পারে।

এই বৈঠকে জিবুতির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক মন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। তিনি ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে পরামর্শ চান।

বাংলাদেশের পক্ষে খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম উপস্থিত ছিলেন।