ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি পুরোপুরি নেতিবাচক নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী সোনারগাঁয়ে জামায়াত কর্মীর বাসায় হামলা ও ভাঙচুর, আহত ৩ সিরাজদিখানে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে বিএভিএস ও চট্টগ্রাম এলজিইডি কার্যালয়ে দুদকের অভিযান তাহিরপুর উপজেলা নির্বাচন চেয়ারম্যান পদে মিটু রঞ্জন পালের প্রার্থীতা ঘোষণা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে হুইপ হলেন শরীয়তপুর-৩ আসনের এমপি মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হতে চান শিল্পী রেজা, তৃণমূল থেকে বাড়ছে সমর্থন হাজারো যাত্রী বিমানবন্দরে আটকা, খোঁজ নিলেন তারেক রহমান ইরানে ৭ দিনের সরকারি ছুটি ও ৪০ দিনের শোক ঘোষণা

চট্টগ্রামে সওজের বিল কেলেঙ্কারির প্রমাণ পেয়েছে দুদক

সাংবাদিক

চট্টগ্রামে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কাজ না পাওয়া ঠিকাদারকে দিয়ে বিল দাখিল করানোর চেষ্টার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর রহমতগঞ্জে সওজের জেলা কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদকের একটি দল। দুদকের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলমের নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান শুরু হয়। এ সময় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহেদ হোসাইনের কার্যালয়ে বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করেন দুদক কর্মকর্তারা। তবে নির্বাহী প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কিংবা ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা তখন কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সায়েদ আলম বলেন, নগরীর অক্সিজেন মোড় থেকে হাটহাজারি পর্যন্ত এক কোটি টাকার কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ার আগেই একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দিয়ে করানো হয়েছিল। পরে টেন্ডারে অন্য ঠিকাদার কাজ পেলেও তাদের দিয়ে কাজ করানো হয়নি। যে প্রতিষ্ঠানকে টেন্ডারে কাজ দেওয়া হয়েছে, তাদের জোর করে বিল সই করাতে চাপ দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি রাজি না হওয়ায় গত বুধবার রাতে অজ্ঞাত নম্বর থেকে তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো জানান, যে প্রতিষ্ঠান বিলে সই করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, তাদের সঙ্গে দুদক যোগাযোগ করেছে এবং আরো কিছু কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ মে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফর উপলক্ষ্যে অক্সিজেন থেকে হাটহাজারি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কে সৌন্দর্যবর্ধন ও সংস্কারকাজ করা হয়। ঐ কাজের বিপরীতে বিল আদায়ের প্রক্রিয়া নিয়েই অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

তবে অভিযোগ বিষয়ে সওজের কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি। কর্মকর্তারা জানান, নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী অন্য একটি কাজের পরিদর্শনে বাইরে ছিলেন।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৫:৩৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
৬৪২ Time View

চট্টগ্রামে সওজের বিল কেলেঙ্কারির প্রমাণ পেয়েছে দুদক

আপডেটের সময় : ০৫:৩৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রামে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কাজ না পাওয়া ঠিকাদারকে দিয়ে বিল দাখিল করানোর চেষ্টার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর রহমতগঞ্জে সওজের জেলা কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদকের একটি দল। দুদকের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলমের নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান শুরু হয়। এ সময় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহেদ হোসাইনের কার্যালয়ে বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করেন দুদক কর্মকর্তারা। তবে নির্বাহী প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কিংবা ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা তখন কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সায়েদ আলম বলেন, নগরীর অক্সিজেন মোড় থেকে হাটহাজারি পর্যন্ত এক কোটি টাকার কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ার আগেই একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দিয়ে করানো হয়েছিল। পরে টেন্ডারে অন্য ঠিকাদার কাজ পেলেও তাদের দিয়ে কাজ করানো হয়নি। যে প্রতিষ্ঠানকে টেন্ডারে কাজ দেওয়া হয়েছে, তাদের জোর করে বিল সই করাতে চাপ দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি রাজি না হওয়ায় গত বুধবার রাতে অজ্ঞাত নম্বর থেকে তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো জানান, যে প্রতিষ্ঠান বিলে সই করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, তাদের সঙ্গে দুদক যোগাযোগ করেছে এবং আরো কিছু কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ মে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফর উপলক্ষ্যে অক্সিজেন থেকে হাটহাজারি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কে সৌন্দর্যবর্ধন ও সংস্কারকাজ করা হয়। ঐ কাজের বিপরীতে বিল আদায়ের প্রক্রিয়া নিয়েই অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

তবে অভিযোগ বিষয়ে সওজের কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি। কর্মকর্তারা জানান, নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী অন্য একটি কাজের পরিদর্শনে বাইরে ছিলেন।