নাটোর -৪ বড়াইগ্রাম গুরুদাসপুর আসনের সংসদ সদস্য মনোনয়ন প্রত্যাশী অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদের মিয়া
বড়াইগ্রাম গুরুদাসপুর সংসদীয় আসনে ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী এডভোকেট আব্দুল কাদের মিয়া। তিনি নাটোর জজ কোর্টের একজন স্বনামধন্য আইনজীবী। পেশাগত জীবনে তিনি পি পি, এ পিপি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানেও দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি দীর্ঘদিন যাবত বিএনপির রাজনীতি সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। প্রয়াত বড়াইগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য, পৌর প্রশাসক, উপজেলা চেয়ারম্যান মরম অধ্যক্ষ একরামুল আলমের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন হিসেবে তিনি নাটোর জেলায় পরিচিত। রাজনৈতিক বর্ণাঢ্য জীবনে তিনি বিএনপির বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি সর্বশেষ বড়াইগ্রাম উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক ছিলেন এবং দীর্ঘদিন সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তিনি তার দায়িত্ব পালন করে গেছেন। বর্তমানে তিনি নাটোর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য। রাজনৈতিক জীবনে তিনি প্রত্যেকটি মিছিল মিটিং আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। নাটোর জজ কোর্টের একজন প্রভাবশালী এডভোকেট হওয়া সত্বেও তিনি বেশ কয়েকবার গ্রেফতার এবং বিভিন্ন মিথ্যা বানোয়াট রাজনৈতিক মামলার আসামি হয়েছেন।
বিএনপি নেতা ও অ্যাডভোকেট হওয়ার নৈমিত্তে তিনি বিএনপি’র নেতাকর্মীদের বেশিরভাগ রাজনৈতিক মামলা পরিচালনা করে আসছেন।
তৃণমূলের বিভিন্ন নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি অত্যন্ত সৎ, স্বচ্ছ,স্পষ্টবাদী ও পরোপকারী। নেতাকর্মীদের সর্বদা তিনি খোঁজখবর রাখেন এবং প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা প্রদান করেন। রাজনৈতিক মামলার ক্ষেত্রে সকল আইনি সহায়তা তিনি বিনা ফিতে প্রদান করেন।এলাকায় গরিব দুঃখী অসহায় ব্যক্তিদের সহযোগিতা করতে তিনি বিন্দুমাত্র কার্পণ্যবোধ করেন না।
ইউনিয়ন ওয়ার্ড এবং গ্রাম পর্যায়ের সকল নেতাকর্মীদের সঙ্গে তিনি রীতিমত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন । তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করেন, অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদের সর্বাপেক্ষা যোগ্য। তার মত সৎ যোগ্য ব্যক্তি যদি সংসদ সদস্য হতে পারেন এলাকার উন্নয়ন ঘটবে এবং সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি চিরতরে নির্মূল হবে।
বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠন সমূহের বেশ কিছু নেতাকর্মী ও উপজেলার বিভিন্ন স্তরের জনগণের অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদেরের প্রতি পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে জানা যায়।