ঢাকা , শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে মার্কিন কংগ্রেসম্যানদের চিঠি নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ওমানের শ্রমমন্ত্রীর সাথে ফলপ্রসূ আলোচনা: শীঘ্রই উন্মুক্ত হচ্ছে ওয়ার্ক ভিসা ডিএমএফ’র নবগঠিত কমিটির অভিষেক ও উপদেষ্টা পরিষদ ঘোষণা ইজারা ছাড়াই চলছে দেবিদ্বারের ঐতিহ্যবাহী পোনরা মেলা লক্ষাধিক টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে পৌরসভা আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বাংলাদেশ বদ্ধপরিকর চাঁদপুর -৪ ফরিদগঞ্জ গুপ্টি ইউনিয়নে দিনব্যাপী চিংড়ি প্রতীকে গণসংযোগ করেন এম এ হান্নান ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি পাকিস্তানের বিশ্বকাপ খেলার সিদ্ধান্ত শুক্র অথবা সোমবার রাণীশংকৈলে বিএনপির  নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন।

বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে মার্কিন কংগ্রেসম্যানদের চিঠি

সাংবাদিক

বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ হয়, তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি সহায়তা এবং নিরপেক্ষ মনিটরিং দেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিওকে চিঠি লিখেছেন দুইজন মার্কিন সিনিয়র কংগ্রেসম্যান জো উইলসন এবং নাইল পাও।
মঙ্গলবার ( ২৭ জানুয়ারি) তারা এ  চিঠি দেন।

চিঠিতে তারা বলেন, বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের এ সদস্যরা।

চিঠিতে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ভোটাররা ব্যালটের মাধ্যমে নিজেদের মত প্রকাশ এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পাবেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কারের ধারাবাহিকতায় এই= নির্বাচন একটি ইতিবাচক অগ্রগতির সুযোগ তৈরি করেছে বলেও উল্লেখ করা হয়। কংগ্রেস সদস্যরা পররাষ্ট্র দপ্তরকে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার অনুরোধ জানান।চিঠিতে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাকে বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৪ সালে আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানের প্রথমবার ভোট হতে যাচ্ছে বলে চিঠিতে বলা হয়।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে এক হাজার চারশোর বেশি মানুষ নিহত হন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ নাজুক অবস্থা ও অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন কংগ্রেস সদস্যরা। তাদের মতে, এ প্রেক্ষাপট লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের এক নেতার হত্যাকাণ্ড এবং এক শ্রমিককে জনতার হাতে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাও তারা উল্লেখ করেন।চিঠিতে বলা হয়, আসন্ন নির্বাচন সহিংসতা ও প্রতিশোধের চক্র থেকে বেরিয়ে আসার একটি বড় সুযোগ। আইনের শাসন ও মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সরকার গঠনের পথ সুগম করতে এ নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠনে তা সহায়ক হবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে, সে সম্পর্কে কংগ্রেস সদস্যদের দপ্তরগুলোকে অবহিত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে।

পাশাপাশি ১২ ফেব্রুয়ারির আগেই এ বিষয়ে একটি ব্রিফিং দেওয়ারও অনুরোধ করা হয়েছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১১:৪৬:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
৫১৩ Time View

বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে মার্কিন কংগ্রেসম্যানদের চিঠি

আপডেটের সময় : ১১:৪৬:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ হয়, তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি সহায়তা এবং নিরপেক্ষ মনিটরিং দেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিওকে চিঠি লিখেছেন দুইজন মার্কিন সিনিয়র কংগ্রেসম্যান জো উইলসন এবং নাইল পাও।
মঙ্গলবার ( ২৭ জানুয়ারি) তারা এ  চিঠি দেন।

চিঠিতে তারা বলেন, বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের এ সদস্যরা।

চিঠিতে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ভোটাররা ব্যালটের মাধ্যমে নিজেদের মত প্রকাশ এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পাবেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কারের ধারাবাহিকতায় এই= নির্বাচন একটি ইতিবাচক অগ্রগতির সুযোগ তৈরি করেছে বলেও উল্লেখ করা হয়। কংগ্রেস সদস্যরা পররাষ্ট্র দপ্তরকে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার অনুরোধ জানান।চিঠিতে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাকে বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৪ সালে আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানের প্রথমবার ভোট হতে যাচ্ছে বলে চিঠিতে বলা হয়।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে এক হাজার চারশোর বেশি মানুষ নিহত হন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ নাজুক অবস্থা ও অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন কংগ্রেস সদস্যরা। তাদের মতে, এ প্রেক্ষাপট লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের এক নেতার হত্যাকাণ্ড এবং এক শ্রমিককে জনতার হাতে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাও তারা উল্লেখ করেন।চিঠিতে বলা হয়, আসন্ন নির্বাচন সহিংসতা ও প্রতিশোধের চক্র থেকে বেরিয়ে আসার একটি বড় সুযোগ। আইনের শাসন ও মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সরকার গঠনের পথ সুগম করতে এ নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠনে তা সহায়ক হবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে, সে সম্পর্কে কংগ্রেস সদস্যদের দপ্তরগুলোকে অবহিত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে।

পাশাপাশি ১২ ফেব্রুয়ারির আগেই এ বিষয়ে একটি ব্রিফিং দেওয়ারও অনুরোধ করা হয়েছে।