ঢাকা , সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানে গ্রাউস ও ওয়ার্ড ভিশন কর্তৃক দরিদ্র পরিবারের উন্নয়নে বিকাশ এর মাধ্যমে অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে সদর ইউএনও আড়াইহাজারে স্বাধীনতা কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত ইরানে টানা কয়েক সপ্তাহ স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বিকালে বসছে সংসদ অধিবেশন ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ইং উপলক্ষে রিয়াদে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সৌদি প্রবাসীদের মাতালো এনটিভ দর্শক ও সাংস্কৃতিক ফোরাম স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী আর নেই বর্তমান পোশাকে পুলিশ সদস্যরা সন্তুষ্ট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী কোটালীপাড়ায় চিকিৎসাধীন যুবকের ওপর হামলা, অবস্থা আশঙ্কাজনক আমিন বাজার সাদুল্যাপুর ভূমি অফিসে দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও হয়রানির গুরুতর অভিযোগ

বিদেশে অর্থপাচার রোধে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা জরুরি: প্রধান উপদেষ্টা

সাংবাদিক

দেশে থেকে বিদেশে কোটি কোটি ডলার পাচার রোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক আইন প্রণয়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস। বুধবার (৩ সেপেটম্ব) রাষ্ট্রীয় অতিথিশালা যমুনায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) চেয়ারম্যান ফ্রাঁসোয়া ভ্যালেরিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা প্রায়শই জানি এই পাচার হওয়া অর্থ কোথা থেকে এসেছে, কিন্তু তা বৈধ হস্তান্তর হিসেবে মেনে নেওয়া হচ্ছে। যথাযথ পদক্ষেপ নেই।’

তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার কারণে দক্ষিণ এশিয়ার ও অন্যান্য দেশের কোটি কোটি ডলার বিদেশে স্থানান্তর রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। স্বৈরশাসনের সময় বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো।

অধ্যাপক ইউনুস আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ও আর্থিক নিয়মের সমালোচনা করে বলেন, ‘এই নিয়মগুলো লুটপাট করা অর্থ বিদেশে সহজে পাঠাতে সাহায্য করে।’

চিফ অ্যাডভাইজার আরও বলেন, কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবৈধ অর্থ জেনেও রাখছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি টিআইয়ের প্রতি আহ্বান জানান, তারা একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম গঠন করে বাধ্যতামূলক আইন প্রণয়নে নেতৃত্ব দিক, যাতে পাচার হওয়া অর্থ নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পৌঁছাতে না পারে।

টিআই চেয়ারম্যান ফ্রাঁসোয়া ভ্যালেরিয়ান বলেন, ‘মধ্যবর্তী সরকার চুরি হওয়া সম্পদ ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছে। কিন্তু আরও কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও শক্তিশালী নিয়ম প্রয়োজন।’

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক হলেন ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, টিআই বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য শাখার যৌথ প্রচেষ্টায় শেখ হাসিনার সহযোগীদের অর্জিত সম্পদ জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০৩:৫৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৬৭৫ Time View

বিদেশে অর্থপাচার রোধে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা জরুরি: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেটের সময় : ০৩:৫৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দেশে থেকে বিদেশে কোটি কোটি ডলার পাচার রোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক আইন প্রণয়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস। বুধবার (৩ সেপেটম্ব) রাষ্ট্রীয় অতিথিশালা যমুনায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) চেয়ারম্যান ফ্রাঁসোয়া ভ্যালেরিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা প্রায়শই জানি এই পাচার হওয়া অর্থ কোথা থেকে এসেছে, কিন্তু তা বৈধ হস্তান্তর হিসেবে মেনে নেওয়া হচ্ছে। যথাযথ পদক্ষেপ নেই।’

তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার কারণে দক্ষিণ এশিয়ার ও অন্যান্য দেশের কোটি কোটি ডলার বিদেশে স্থানান্তর রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। স্বৈরশাসনের সময় বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো।

অধ্যাপক ইউনুস আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ও আর্থিক নিয়মের সমালোচনা করে বলেন, ‘এই নিয়মগুলো লুটপাট করা অর্থ বিদেশে সহজে পাঠাতে সাহায্য করে।’

চিফ অ্যাডভাইজার আরও বলেন, কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবৈধ অর্থ জেনেও রাখছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি টিআইয়ের প্রতি আহ্বান জানান, তারা একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম গঠন করে বাধ্যতামূলক আইন প্রণয়নে নেতৃত্ব দিক, যাতে পাচার হওয়া অর্থ নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পৌঁছাতে না পারে।

টিআই চেয়ারম্যান ফ্রাঁসোয়া ভ্যালেরিয়ান বলেন, ‘মধ্যবর্তী সরকার চুরি হওয়া সম্পদ ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছে। কিন্তু আরও কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও শক্তিশালী নিয়ম প্রয়োজন।’

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক হলেন ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, টিআই বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য শাখার যৌথ প্রচেষ্টায় শেখ হাসিনার সহযোগীদের অর্জিত সম্পদ জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।