শোকের ছায়া হাজীগঞ্জে প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান খানের ইন্তেকালে বাকিলাজুড়ে শোকের মাতম
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ২নং বাকিলা ইউনিয়নের সিদলা খান বাড়ীর কৃতী সন্তান, প্রবীণ শিক্ষক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একনিষ্ঠ সংগঠক মোঃ মিজানুর রহমান খান ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
তার মৃত্যুতে পুরো এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। তিনি দীর্ঘদিন শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে জড়িত থেকে শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। পাশাপাশি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী একজন নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে স্থানীয় রাজনীতিতেও ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব।
সৎ, নম্র ও আদর্শবান এই মানুষটির মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষাঙ্গনে শোকের আবহ সৃষ্টি হয়। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে নেমে আসে গভীর বেদনার ছায়া। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে তার কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করেন।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ২নং বাকিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিলন। এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এছাড়াও চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “মোঃ মিজানুর রহমান খান ছিলেন একজন সৎ, আদর্শবান ও জনদরদী মানুষ। সমাজ ও রাজনীতিতে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
এলাকাবাসী জানান, মরহুম মোঃ মিজানুর রহমান খান ছিলেন অত্যন্ত সদালাপী, মানবিক ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় একজন ব্যক্তি। তার মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
বাংলা ৫২ নিউজ ডটকম পরিবারের পক্ষ থেকেও মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়েছে।























