সোনারগাঁও সরকারী কলেজ কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে একটি বিশেষ দলের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা এবং শিবির নেতাকে অবরুদ্ধ করে রাখার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও সরকারি কলেজের উদ্যোগে আজ ৩ জানুয়ারি শনিবার একাদশ শ্রেণির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নবীন বরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আজহারুল ইসলাম মান্নানের ফেস্টুন, ছবি, কিউ আর কোড সংবলিত প্রচার পত্র এবং ফটো কার্ড তৈরীর বুথ স্থাপন করা হয়।
এ বিষয়ে সোনারগাঁও সরকারি কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ হৃদয় হাসান কর্তৃপক্ষকে জানতে চান যে, কলেজ প্রশাসনের টাকায় কিংবা কলেজে প্রশাসনের উদ্যোগে কোন রাজনৈতিক দলের একজন প্রার্থীর পক্ষে এমন প্রচারণা চালানো কিংবা বুধ স্থাপন করা যায় কিনা?
তার এই প্রশ্নের কারণে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা তাকে ধরে নিয়ে একটি রুমে তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ রেখে তার ওপর মানিসক নির্যাতন চালায়। কলেজ কর্তৃপক্ষ হৃদয় কে মুক্ত করার ক্ষেত্রে কোন ভূমিকা পালন করেনি। ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলার নেতৃবৃন্দ এই সংবাদ জানার পর তারা সোনারগাঁও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঘটনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করে। পরবর্তীতে পুলিশ গিয়ে হৃদয়কে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করে।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকার ও সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান এক বিবৃতি প্রদান করেছেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, সোনারগাও সরকারী কলেজ কর্তৃপক্ষের কোনো একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থনে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বিবৃতিতে তারা বলেন, একটি সরকারি কলেজের কর্তৃপক্ষ সরকারি অর্থে এভাবে কোনো একটি দলের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালানো কিংবা একজন ছাত্রকে এভাবে অবরুদ্ধ করার পরে তাকে অবরূদ্ধ ব্যবস্থা থেকে মুক্ত না করে একটি ছাত্র সংগঠনের পক্ষে হতে পারে কিনা? এ ধরনের একপাক্ষিক আচরণ নির্বাচনী আচরণবিধির লক্ষণ প্রশাসনের
নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।
তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।



















