ঢাকা , রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানে টানা কয়েক সপ্তাহ স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বিকালে বসছে সংসদ অধিবেশন ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ইং উপলক্ষে রিয়াদে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সৌদি প্রবাসীদের মাতালো এনটিভ দর্শক ও সাংস্কৃতিক ফোরাম স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী আর নেই বর্তমান পোশাকে পুলিশ সদস্যরা সন্তুষ্ট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী কোটালীপাড়ায় চিকিৎসাধীন যুবকের ওপর হামলা, অবস্থা আশঙ্কাজনক আমিন বাজার সাদুল্যাপুর ভূমি অফিসে দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও হয়রানির গুরুতর অভিযোগ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন ও সংহতি জাতিসংঘ মহাসচিবের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

‘২০০৮ সালের নির্বাচনে হলফনামা ঠিকমতো যাচাই হলে হাসিনার প্রার্থিতা বাতিল হতো’

সাংবাদিক

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উদাহরণ টেনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেছেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হলফনামায় যে সম্পদের বিবরণ দিয়েছিলেন, বাস্তবে পাওয়া সম্পদের সঙ্গে তার বড় ধরনের ব্যবধান ছিল। সে সময় দুদক ও নির্বাচন কমিশন যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করলে তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার কথা ছিল।

রোববার (১১ জানুয়ারি) দুদকের সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশনের (র‍্যাক) ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন দুদক চেয়ারম্যান।

অল্প সময়ে প্রার্থীদের হলফনামা গভীরভাবে অনুসন্ধান করা কঠিন বলে উল্লেখ করে আবদুল মোমেন বলেন, হলফনামা যাচাইয়ের জন্য যে সময়টা আমাদের হাতে থাকে, সেই সময়ের মধ্যে সূক্ষ্মভাবে কাজ করা সম্ভব হয় না। এ কারণে সাংবাদিকদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কোনো প্রার্থীর হলফনামায় প্রদর্শিত সম্পদ নিয়ে যদি সন্দেহ থাকে, তাহলে তা অনুসন্ধান করে সবার আগে দুদকের কাছে তুলে ধরতে। আপনারাও (সাংবাদিক) অনুসন্ধানকারী। আপনাদের অনুসন্ধান আমাদের কাজকে সহায়তা করবে।

দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, আমরা চাই না, হলফনামায় প্রদর্শিত হয়নি- এমন সম্পদের মালিকরা বা অবৈধভাবে বিত্তবৈভবের মালিকরা ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের শাসক হোক।

আবদুল মোমেন বলেন, সবার জন্য সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই কমিশনের প্রত্যাশা। দুর্নীতি দেশের একটি বড় সংকট উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সংকট নিরসনে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং ভবিষ্যতের শাসকেরা যেন ন্যায়নিষ্ঠ ও সৎ হন- এটাই দুদকের প্রত্যাশা।

র‍্যাকের সভাপতি শাফি উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক তাবারুল হক। অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন দুদক কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ এবং দুদকের সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ১০:৩৯:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
৬২৯ Time View

‘২০০৮ সালের নির্বাচনে হলফনামা ঠিকমতো যাচাই হলে হাসিনার প্রার্থিতা বাতিল হতো’

আপডেটের সময় : ১০:৩৯:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উদাহরণ টেনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেছেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হলফনামায় যে সম্পদের বিবরণ দিয়েছিলেন, বাস্তবে পাওয়া সম্পদের সঙ্গে তার বড় ধরনের ব্যবধান ছিল। সে সময় দুদক ও নির্বাচন কমিশন যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করলে তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার কথা ছিল।

রোববার (১১ জানুয়ারি) দুদকের সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশনের (র‍্যাক) ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন দুদক চেয়ারম্যান।

অল্প সময়ে প্রার্থীদের হলফনামা গভীরভাবে অনুসন্ধান করা কঠিন বলে উল্লেখ করে আবদুল মোমেন বলেন, হলফনামা যাচাইয়ের জন্য যে সময়টা আমাদের হাতে থাকে, সেই সময়ের মধ্যে সূক্ষ্মভাবে কাজ করা সম্ভব হয় না। এ কারণে সাংবাদিকদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কোনো প্রার্থীর হলফনামায় প্রদর্শিত সম্পদ নিয়ে যদি সন্দেহ থাকে, তাহলে তা অনুসন্ধান করে সবার আগে দুদকের কাছে তুলে ধরতে। আপনারাও (সাংবাদিক) অনুসন্ধানকারী। আপনাদের অনুসন্ধান আমাদের কাজকে সহায়তা করবে।

দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, আমরা চাই না, হলফনামায় প্রদর্শিত হয়নি- এমন সম্পদের মালিকরা বা অবৈধভাবে বিত্তবৈভবের মালিকরা ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের শাসক হোক।

আবদুল মোমেন বলেন, সবার জন্য সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই কমিশনের প্রত্যাশা। দুর্নীতি দেশের একটি বড় সংকট উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সংকট নিরসনে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং ভবিষ্যতের শাসকেরা যেন ন্যায়নিষ্ঠ ও সৎ হন- এটাই দুদকের প্রত্যাশা।

র‍্যাকের সভাপতি শাফি উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক তাবারুল হক। অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন দুদক কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ এবং দুদকের সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম।