ঢাকা , শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে আইনমন্ত্রীর নির্দেশ ফরিদগঞ্জ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী রিয়াদ বাহীনির অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকায় বাসী চাঁদপুরস্থ কচুয়া উপজেলা আইনজীবী কল্যাণ সমিতির-২০২৬ কার্যকরী কমিটি গঠন এপেক্স ক্লাব অফ চাঁদপুরের ডিনার মিটিং অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ের আউলিয়াপুরে ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ সম্পন্ন প্রবাসীদের ভালোবাসায় সিক্ত মাসুদ সাঈদী এমপি কুয়ালালামপুরে Istanbul Hotel & Resort Limited-এর সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আরব দেশগুলোর অনুরোধে ইরানে নতুন হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের মালয়শিয়া রাষ্ট্র সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও প্রবাসীদের ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভা শোকের ছায়া হাজীগঞ্জে প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান খানের ইন্তেকালে বাকিলাজুড়ে শোকের মাতম জাতীয় সংসদে সাবেক প্রতিমন্ত্রী সিনহার জানাজা, অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে চোলাই মদসহ আটক ৩

রিপোর্ট: কাজী মোঃ আশিকুর রহমান

আশুলিয়ার তৈয়বপুর ইউনিয়নের শাতাইশ কান্দি এলাকায় অবৈধ চোলাই মদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। আজ সকাল আনুমানিক ০৯০০ ঘটিকা থেকে বিকাল ১৬০০ ঘটিকা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (DNC)-এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসন সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।

অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৮ বীর, জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের একটি সেনা দল দায়িত্ব পালন করে। অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ১০ জন সদস্য ছিলেন। অভিযানে জেলা প্রশাসন এর পক্ষ হতে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থেকে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে নির্দেশ প্রদান করেন।

অভিযানকালে শাতাইশ কান্দি এলাকা থেকে অবৈধভাবে উৎপাদিত ও সংরক্ষিত মোট ৮০ লিটার চোলাই মদ, প্রায় ২২০০ লিটার চোলাই মদ উৎপাদনের কাঁচামাল এবং অপরাধমূলক তথ্যসম্বলিত ০৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এ সময় অবৈধ চোলাই মদ উৎপাদন ও বিতরণের সাথে জড়িত তিনজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন মোঃ রাকিব (২৯), মিসেস শেফালি রানী মণ্ডল (৩৮) এবং প্রেম কুমার বড়ুয়া (৫০)। আটককৃত সকলের ঠিকানা: শাতাইশ কান্দি, তৈয়বপুর ইউনিয়ন, আশুলিয়া, ঢাকা।

অভিযানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং সেনাবাহিনী কর্তৃক এলাকা নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করা হয়।

বর্তমানে উক্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিবর্গ এবং জব্দকৃত মালামাল পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহ সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে ভবিষ্যতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত রাখবে।

ট্যাগ :

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপডেটের সময় : ০২:৩২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
৭৪৩ Time View

আশুলিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে চোলাই মদসহ আটক ৩

আপডেটের সময় : ০২:৩২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

আশুলিয়ার তৈয়বপুর ইউনিয়নের শাতাইশ কান্দি এলাকায় অবৈধ চোলাই মদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। আজ সকাল আনুমানিক ০৯০০ ঘটিকা থেকে বিকাল ১৬০০ ঘটিকা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (DNC)-এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসন সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।

অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৮ বীর, জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের একটি সেনা দল দায়িত্ব পালন করে। অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ১০ জন সদস্য ছিলেন। অভিযানে জেলা প্রশাসন এর পক্ষ হতে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থেকে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে নির্দেশ প্রদান করেন।

অভিযানকালে শাতাইশ কান্দি এলাকা থেকে অবৈধভাবে উৎপাদিত ও সংরক্ষিত মোট ৮০ লিটার চোলাই মদ, প্রায় ২২০০ লিটার চোলাই মদ উৎপাদনের কাঁচামাল এবং অপরাধমূলক তথ্যসম্বলিত ০৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এ সময় অবৈধ চোলাই মদ উৎপাদন ও বিতরণের সাথে জড়িত তিনজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন মোঃ রাকিব (২৯), মিসেস শেফালি রানী মণ্ডল (৩৮) এবং প্রেম কুমার বড়ুয়া (৫০)। আটককৃত সকলের ঠিকানা: শাতাইশ কান্দি, তৈয়বপুর ইউনিয়ন, আশুলিয়া, ঢাকা।

অভিযানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং সেনাবাহিনী কর্তৃক এলাকা নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করা হয়।

বর্তমানে উক্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিবর্গ এবং জব্দকৃত মালামাল পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহ সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে ভবিষ্যতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত রাখবে।